ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রাম সীমান্তে নোম্যান্স ল্যান্ডে ৪০ ঘণ্টা আটকে ৯ বাংলাদেশি, চরম দুর্ভোগে তারা

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্ত দিয়ে পুশইন হওয়া ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রায় ৪০ ঘণ্টা ধরে নোম্যান্স ল্যান্ডে আটকে রয়েছেন। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে, তবে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকে এখনো কোনো সুরাহা আসেনি। পুশইনের পর বিজিবি সদস্যরা তাদের নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করতে দেওয়ায় বিজিবি ও স্থানীয় এলাকাবাসী সতর্ক অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছেন।

জানা গেছে, গত ১৪ জুন ভোর ৫টার দিকে রৌমারীর গয়টাপাড়া ও মানকারচর সীমান্ত এলাকা দিয়ে দুটি ভিন্ন দলে মোট ৯ জনকে সীমান্তে এনে রেখে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জন এবং মানকারচর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশইন করা হয়। গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থানরত ৬ জনের মধ্যে চারজন ময়মনসিংহ জেলার এবং মানকারচর সীমান্তে অবস্থানরত তিনজনের মধ্যে দুজন সুনামগঞ্জ জেলার এবং একজন নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, আরও তিনজন ওই সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করার কারণে তারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। এ বিষয়ে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করলেও এখনও কোনো সমাধান মেলেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপের রঙে সেজেছে তিতাসের নন্দীরচর সেতু: ফুটবলপ্রেমীদের মিলনমেলা

কুড়িগ্রাম সীমান্তে নোম্যান্স ল্যান্ডে ৪০ ঘণ্টা আটকে ৯ বাংলাদেশি, চরম দুর্ভোগে তারা

আপডেট সময় : ১১:২৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দুটি সীমান্ত দিয়ে পুশইন হওয়া ৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রায় ৪০ ঘণ্টা ধরে নোম্যান্স ল্যান্ডে আটকে রয়েছেন। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই ঘটনায় সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করছে, তবে বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠকে এখনো কোনো সুরাহা আসেনি। পুশইনের পর বিজিবি সদস্যরা তাদের নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করতে দেওয়ায় বিজিবি ও স্থানীয় এলাকাবাসী সতর্ক অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছেন।

জানা গেছে, গত ১৪ জুন ভোর ৫টার দিকে রৌমারীর গয়টাপাড়া ও মানকারচর সীমান্ত এলাকা দিয়ে দুটি ভিন্ন দলে মোট ৯ জনকে সীমান্তে এনে রেখে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর মধ্যে গয়টাপাড়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জন এবং মানকারচর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনকে পুশইন করা হয়। গয়টাপাড়া সীমান্তে অবস্থানরত ৬ জনের মধ্যে চারজন ময়মনসিংহ জেলার এবং মানকারচর সীমান্তে অবস্থানরত তিনজনের মধ্যে দুজন সুনামগঞ্জ জেলার এবং একজন নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, আরও তিনজন ওই সীমান্ত এলাকায় অবস্থান করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে নোম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করার কারণে তারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। এ বিষয়ে সীমান্তে উত্তেজনা বিরাজ করলেও এখনও কোনো সমাধান মেলেনি।