বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত জয় দিয়ে অভিযান শুরু করতে না পারলেও, পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়াতে আত্মবিশ্বাসী। ‘সি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে ব্রাজিল। দলের মান বাঁচানো গোলটি করেন তারকা ফরোয়ার্ড ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ম্যাচ শেষে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা তার পারফরম্যান্স, দলের খেলা এবং কোচ কার্লো আনচেলত্তির কৌশল নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।
ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম করাকে ব্রাজিলের পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন ভিনিসিয়ুস। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই ম্যাচের প্রথমদিকেই গোল হজম করলে প্রাথমিক পরিকল্পনা পুরোপুরি বদলে যায়। তবে আমি মনে করি, ছেলেরা দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়েছে, নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে এবং রক্ষণভাগকে আরো শক্তিশালী করেছে।’ তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, রাফিনিয়া উইং পরিবর্তন করার পর তারা আক্রমণের পরিধি বাড়াতে পেরেছেন এবং বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করেছেন। তবে, তিনি এটাও স্বীকার করেন যে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ সব সময়ই মানসিকভাবে কঠিন হয় এবং মরক্কো খুবই দারুণ ও সংগঠিত ফুটবল খেলেছে, যার ফলে উদ্বোধনী ম্যাচের চাপ মাঠে স্পষ্টভাবেই অনুভূত হয়েছে।
নিজের ব্যক্তিগত উন্নতি এবং বর্তমান দায়িত্ববোধ নিয়েও কথা বলেন ২৫ বছর বয়সি এই ফরোয়ার্ড। আগের বিশ্বকাপের সঙ্গে বর্তমান অবস্থার তুলনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘গত বিশ্বকাপে আমি অনেক তরুণ ও অনভিজ্ঞ ছিলাম। এখন আমি খেলার দিক থেকে অনেক পরিণত এবং অনেক কিছু শিখেছি। একইসঙ্গে আমার কাঁধে দায়িত্বও বেড়েছে। আমি মনে করি, এবারের বিশ্বকাপের সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আমি পুরোপুরি প্রস্তুত।’
ভিনিসিয়ুস যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর আবহাওয়া এবং মাঠের পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। কোচ কার্লো আনচেলত্তির নির্দেশনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এখানকার স্টেডিয়াম ও মাঠের অবস্থা কিছুটা ভিন্ন, তার ওপর আবহাওয়া বেশ গরম। আমাদের দ্রুত এই পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। আমাদের কোচ কার্লো বল দখলে রাখার এবং এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দ্রুত পাস আদান-প্রদানের নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমরা সেটা করতে পেরেছি; কিন্তু প্রতিপক্ষের গোলমুখে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারিনি।’
রিপোর্টারের নাম 

























