ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

৩৬ ঘণ্টার সর্বাত্মক হরতালের ডাক

রাঙামাটি জেলা পরিষদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ৩৬ ঘণ্টার সর্বাত্মক হরতাল ঘোষণা করেছে কোটাবিরোধী ঐক্যজোট, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিকরা।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণাকারীদের পক্ষে বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী ইব্রাহিম রুবেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতা রাকিব হাসান এবং শিক্ষার্থী নুরুল আলম।

নেতারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানানো হলেও জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ কোনো সমাধান দেয়নি। তাই বাধ্য হয়েই তারা হরতালের ডাক দিয়েছেন।

তাদের অভিযোগ, জেলা পরিষদের প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো কোটার উল্লেখ নেই এবং শূন্যপদের সংখ্যাও পরিষ্কারভাবে জানানো হয়নি। সরকার নির্ধারিত ৭ শতাংশ কোটার বিধান উপেক্ষা করে ৭০ শতাংশ উপজাতি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন তারা। তাদের দাবি, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দিতে হবে। কোটা প্রথার নামে বৈষম্য ও মেধা হত্যা তারা মেনে নেবেন না।

হরতাল চলাকালে জেলা শহরের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যানবাহন এবং ব্যবসা কেন্দ্র বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে জরুরি সেবা যেমন হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যম, ফায়ার সার্ভিস এবং ঔষধের দোকান হরতালের আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটিকছড়িতে গুলিতে যুবক নিহত: জামায়াত কর্মীর পরিচয় দাবি, থমথমে জনপদ, মেলেনি মামলা

৩৬ ঘণ্টার সর্বাত্মক হরতালের ডাক

আপডেট সময় : ০৮:৫০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

রাঙামাটি জেলা পরিষদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত টানা ৩৬ ঘণ্টার সর্বাত্মক হরতাল ঘোষণা করেছে কোটাবিরোধী ঐক্যজোট, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং সচেতন নাগরিকরা।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণাকারীদের পক্ষে বক্তব্য দেন শিক্ষার্থী ইব্রাহিম রুবেল, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠনের নেতা রাকিব হাসান এবং শিক্ষার্থী নুরুল আলম।

নেতারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানানো হলেও জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষ কোনো সমাধান দেয়নি। তাই বাধ্য হয়েই তারা হরতালের ডাক দিয়েছেন।

তাদের অভিযোগ, জেলা পরিষদের প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে কোনো কোটার উল্লেখ নেই এবং শূন্যপদের সংখ্যাও পরিষ্কারভাবে জানানো হয়নি। সরকার নির্ধারিত ৭ শতাংশ কোটার বিধান উপেক্ষা করে ৭০ শতাংশ উপজাতি ও ৩০ শতাংশ বাঙালি কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেন তারা। তাদের দাবি, মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ দিতে হবে। কোটা প্রথার নামে বৈষম্য ও মেধা হত্যা তারা মেনে নেবেন না।

হরতাল চলাকালে জেলা শহরের সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যানবাহন এবং ব্যবসা কেন্দ্র বন্ধ রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে জরুরি সেবা যেমন হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যম, ফায়ার সার্ভিস এবং ঔষধের দোকান হরতালের আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়েছে।