ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার: সংসদে অভিযোগ

আমদানি এবং রপ্তানির আড়ালে প্রতি বছর দেশ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলারের মতো টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে করা এক সম্পূরক প্রশ্নের মাধ্যমে তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন।

উত্তরে বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলারের আমদানি-রপ্তানির অর্থনীতির মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে কোন প্রোডাক্টের মাধ্যমে অর্থ পাচার হচ্ছে তা চিহ্নিত করা অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। তিনি বলেন, আমদানি-রপ্তানির আড়ালে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে যায়—এটি একটি ধারণা বা পারসিভড অ্যামাউন্ট। আমদানির অনেক পণ্যের ক্ষেত্রেই শুল্ক (ট্যারিফ) এবং প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (PSI) এর মতো ব্যবস্থা রয়েছে। যদি এই নিয়মগুলোর বাইরে কোনো পণ্যে দুর্বলতা থাকে যার মাধ্যমে বেশি পাচার হচ্ছে, তবে সেটি একটি গবেষণার বিষয়।

মন্ত্রী আরও জানান, হাজার হাজার পণ্য বাংলাদেশে আসে এবং সেবাও আদান-প্রদান হয়। গত বছর বাংলাদেশের আমদানি ছিল প্রায় ৬৭ বিলিয়ন ডলার এবং রপ্তানি ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার, যা মিলে প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলারের একটি অর্থনীতি। এই বিশাল পরিসরের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে কোন পণ্যের মাধ্যমে অর্থ পাচার হচ্ছে তা চিহ্নিত করা একটি জটিল ও গবেষণাধর্মী কাজ। তবে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সচেতন এবং গবেষণা করছে। যদি তাদের নজরে এমন কোনো বিষয় আসে, তবে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আকাশে রোমহর্ষক ঘটনা: উড়ন্ত বিমান থেকে প্রশিক্ষকের ঝাঁপ, অলৌকিকভাবে অবতরণ করালেন অনভিজ্ঞ ছাত্রী

আমদানি-রপ্তানির আড়ালে বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার: সংসদে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:১৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

আমদানি এবং রপ্তানির আড়ালে প্রতি বছর দেশ থেকে ৮ বিলিয়ন ডলারের মতো টাকা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে করা এক সম্পূরক প্রশ্নের মাধ্যমে তিনি এই অভিযোগ উত্থাপন করেন।

উত্তরে বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর জানান, প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলারের আমদানি-রপ্তানির অর্থনীতির মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে কোন প্রোডাক্টের মাধ্যমে অর্থ পাচার হচ্ছে তা চিহ্নিত করা অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। তিনি বলেন, আমদানি-রপ্তানির আড়ালে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়ে যায়—এটি একটি ধারণা বা পারসিভড অ্যামাউন্ট। আমদানির অনেক পণ্যের ক্ষেত্রেই শুল্ক (ট্যারিফ) এবং প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন (PSI) এর মতো ব্যবস্থা রয়েছে। যদি এই নিয়মগুলোর বাইরে কোনো পণ্যে দুর্বলতা থাকে যার মাধ্যমে বেশি পাচার হচ্ছে, তবে সেটি একটি গবেষণার বিষয়।

মন্ত্রী আরও জানান, হাজার হাজার পণ্য বাংলাদেশে আসে এবং সেবাও আদান-প্রদান হয়। গত বছর বাংলাদেশের আমদানি ছিল প্রায় ৬৭ বিলিয়ন ডলার এবং রপ্তানি ছিল ৫৫ বিলিয়ন ডলার, যা মিলে প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলারের একটি অর্থনীতি। এই বিশাল পরিসরের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে কোন পণ্যের মাধ্যমে অর্থ পাচার হচ্ছে তা চিহ্নিত করা একটি জটিল ও গবেষণাধর্মী কাজ। তবে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সচেতন এবং গবেষণা করছে। যদি তাদের নজরে এমন কোনো বিষয় আসে, তবে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।