শপথ গ্রহণের মাত্র ১০২ দিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। শারীরিক অসুস্থতা ও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি পদ ছাড়লেও রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। তার এই আকস্মিক পদত্যাগের খবরে রাঙ্গামাটিতে অনুসারী ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই জেলা সদরে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কেবল শারীরিক অসুস্থতা নয়, বরং মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্য, প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব এবং পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন নিয়ে মতপার্থক্য এই সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। প্রশাসনিক ও নীতিগত বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে মন্ত্রীর দ্বন্দ্বের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে। এছাড়া পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ চট্টগ্রাম-৫ আসনের এমপি ও প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের নিয়োগ নিয়ে শুরু থেকেই অসন্তুষ্ট ছিল, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেছেন যে, শারীরিক জটিলতার কারণে তিনি মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের গতি বজায় রাখতেই তিনি পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মন্ত্রণালয়ের ভূমি সংক্রান্ত স্পর্শকাতর বিষয় এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার ভাগাভাগি নিয়ে তৈরি হওয়া অস্বস্তিকর পরিবেশই শেষ পর্যন্ত তার পদত্যাগের মূল অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























