ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন থেকে সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং সর্বশেষ সাইবার সুরক্ষা আইন—নাম পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কিছু ধারা বাতিল করা হলেও নতুন আইনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী ও সাংবাদিকরা। সমালোচকদের মতে, আইনটির নাম ও কাঠামোগত কিছু পরিবর্তন এলেও মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং অনলাইন কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলো আগের মতোই রয়ে গেছে, যাকে অনেকে ‘যেই লাউ সেই কদু’ বলে অভিহিত করছেন।
এর আগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৫৭ ধারাসহ বিভিন্ন বিতর্কিত ধারা বাতিলের দাবিতে সোচ্চার ছিলেন সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও বাকস্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় তারা ৮, ২৫, ২৮, ২৯, ৩১ ও ৩২ নম্বর ধারা সংশোধনের দাবি জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সাইবার নিরাপত্তা আইনে ৫৭ ধারা বাদ দেওয়া হলেও ২৫, ২৯ ও ৪২-সহ বেশ কিছু ধারা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
সরকার পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের হাত ধরে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি করা হয়, যা পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে আইন হিসেবে পাস হয়। তবে ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, নতুন এই আইনেও পূর্ববর্তী আইনের বিতর্কিত ধারাগুলোর বেশিরভাগই রয়ে গেছে। এমনকি ৮ নম্বর ধারাটি প্রায় হুবহু প্রতিস্থাপিত হয়েছে এবং নতুন একটি উপধারা যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























