চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাবেক পানিসম্পদ মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার প্রকৌশলী আবুল হাসনাত লুৎফুল কবির (এল. কে.) সিদ্দিকীর দ্বাদশ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শনিবার উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রহমতনগর গ্রামে মরহুমের কবর জিয়ারত, পুষ্পস্তবক অর্পণ, খতমে কোরআন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল, আলোচনা সভা এবং এতিম ও অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হয়।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এফসিএ মরহুমের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে তার সহধর্মিণী জামিলা নাজনীন মাওলার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি এল. কে. সিদ্দিকীর কর্মময় জীবন, রাজনৈতিক দর্শন, এবং দেশ ও সমাজের উন্নয়নে তার অবদানের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এল. কে. সিদ্দিকীর কবর জিয়ারত করেন এবং মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করেন।
অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী বলেন, এল. কে. সিদ্দিকী ছিলেন সততা, নৈতিকতা ও জনসেবার রাজনীতির এক উজ্জ্বল প্রতীক। তিনি রাজনীতিকে কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেননি, বরং মানুষের কল্যাণ, দেশের উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রের স্বার্থকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়েছেন। একজন দক্ষ প্রকৌশলী হিসেবে দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে এবং একজন জননেতা হিসেবে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তার অবদান জাতি স্মরণ করবে। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেও তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। তার বিনয়, কর্মনিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার তাকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
সীতাকুণ্ড পৌরসভা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দিদারুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী, জহুরুল আলম জহুর, সালামত উল্লাহ, ফজলুল করিম চৌধুরী, ছালে আহমদ ছলু, ইউসুফ নিজাম প্রমুখ।
রিপোর্টারের নাম 


















