ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

মুম্বাইয়ের অভিজাত ক্লাবে এখনো বহাল ঔপনিবেশিক বৈষম্য

মুম্বাইয়ের অভিজাত ‘ব্রিচ ক্যান্ডি ক্লাব’ আবারও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে ক্লাবটি এখনো ঔপনিবেশিক মানসিকতা এবং বর্ণবাদী বৈষম্য টিকিয়ে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মালাবার হিলের পাশে অবস্থিত এই ক্লাবের সুইমিং পুলটি অবিভক্ত ব্রিটিশ ভারতের মানচিত্রের আদলে তৈরি, যা তাদের রক্ষণশীল মানসিকতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন সমালোচকরা।

দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবে ভারতীয়দের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীনতার পরও দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাবটি শ্বেতাঙ্গদের আধিপত্য বজায় রেখেছিল। ১৯৬০-এর দশকে অ-ইউরোপীয়দের জন্য ক্লাবের দরজা খুলে দেওয়া হলেও প্রশাসনিক ক্ষমতার ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়ে গেছে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, ক্লাবের মূল ট্রাস্ট সদস্যপদ কেবল ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত। ফলে সাধারণ ভারতীয়রা সদস্য হতে পারলেও নীতি-নির্ধারণী কোনো ক্ষমতা বা ভোটাধিকার তাদের নেই। সম্প্রতি এক প্রভাবশালী রাজনীতিকের পুরোনো অভিজ্ঞতার বর্ণনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬: পুরোনো বিতর্কের বৃত্তেই নতুন আইন?

মুম্বাইয়ের অভিজাত ক্লাবে এখনো বহাল ঔপনিবেশিক বৈষম্য

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

মুম্বাইয়ের অভিজাত ‘ব্রিচ ক্যান্ডি ক্লাব’ আবারও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ঐতিহ্যের দোহাই দিয়ে ক্লাবটি এখনো ঔপনিবেশিক মানসিকতা এবং বর্ণবাদী বৈষম্য টিকিয়ে রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মালাবার হিলের পাশে অবস্থিত এই ক্লাবের সুইমিং পুলটি অবিভক্ত ব্রিটিশ ভারতের মানচিত্রের আদলে তৈরি, যা তাদের রক্ষণশীল মানসিকতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন সমালোচকরা।

দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবে ভারতীয়দের প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীনতার পরও দীর্ঘ সময় ধরে ক্লাবটি শ্বেতাঙ্গদের আধিপত্য বজায় রেখেছিল। ১৯৬০-এর দশকে অ-ইউরোপীয়দের জন্য ক্লাবের দরজা খুলে দেওয়া হলেও প্রশাসনিক ক্ষমতার ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়ে গেছে। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, ক্লাবের মূল ট্রাস্ট সদস্যপদ কেবল ইউরোপীয় নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত। ফলে সাধারণ ভারতীয়রা সদস্য হতে পারলেও নীতি-নির্ধারণী কোনো ক্ষমতা বা ভোটাধিকার তাদের নেই। সম্প্রতি এক প্রভাবশালী রাজনীতিকের পুরোনো অভিজ্ঞতার বর্ণনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।