ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষ, অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ, সড়কের আবর্জনা পরিষ্কার এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতির উপরও তিনি জোর দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার পরপরই দুই সিটি করপোরেশন কোরবানির বর্জ্য অপসারণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। তবে, বর্জ্য অপসারণের বাইরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গত ৪৮ ঘণ্টায় তারা কী ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রাজধানীবাসীর অভিযোগ, যদিও পরিচ্ছন্নতা ডেঙ্গু প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, গত দুই দিনে মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। এমনকি, শনিবারকে ‘বিশেষ ক্লিনিং ডে’ ঘোষণা করা হলেও মশক নিধনে কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি।

তবে, সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই মুহূর্তে কোরবানির বর্জ্য অপসারণই তাদের প্রধান কাজ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে তারা পূর্বেই বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং তা বাস্তবায়নে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

ঈদের দ্বিতীয় দিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি গুলশান, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইখাল, রায়সাহেব বাজার, গুলিস্তান, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ মার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, মিরপুর রোড, জিগাতলা এবং মহাখালী এলাকা ঘুরে দেখেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুশয্যায় হাজার বছরের প্রাচীন বাওবাব: গ্রামবাসীর আধ্যাত্মিক আশ্রয় ও প্রকৃতির বিপন্নতার প্রতীক

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম শেষ, অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৯:৩১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ, সড়কের আবর্জনা পরিষ্কার এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতির উপরও তিনি জোর দিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার পরপরই দুই সিটি করপোরেশন কোরবানির বর্জ্য অপসারণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। তবে, বর্জ্য অপসারণের বাইরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে গত ৪৮ ঘণ্টায় তারা কী ধরনের কার্যকর ব্যবস্থা নিয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

রাজধানীবাসীর অভিযোগ, যদিও পরিচ্ছন্নতা ডেঙ্গু প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, গত দুই দিনে মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি। এমনকি, শনিবারকে ‘বিশেষ ক্লিনিং ডে’ ঘোষণা করা হলেও মশক নিধনে কোনো কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি।

তবে, সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই মুহূর্তে কোরবানির বর্জ্য অপসারণই তাদের প্রধান কাজ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে তারা পূর্বেই বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং তা বাস্তবায়নে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

ঈদের দ্বিতীয় দিন বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি গুলশান, হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইখাল, রায়সাহেব বাজার, গুলিস্তান, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, নিউ মার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, মিরপুর রোড, জিগাতলা এবং মহাখালী এলাকা ঘুরে দেখেন।