ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

বিরল ‘নীল চাঁদ’ : জ্যোতির্বিজ্ঞানে এক অসাধারণ ঘটনা

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘নীল চাঁদ’ বা ব্লু মুন একটি বিরল এবং অসাধারণ ঘটনা। সাধারণত, একই মাসে দুটি পূর্ণিমা হলে দ্বিতীয় পূর্ণিমাকে ‘নীল চাঁদ’ বলা হয়। গত ১ মে পূর্ণিমা ছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় এই মাসে আরেকটি পূর্ণিমা দেখা যাবে, যা একটি বিরল ঘটনার সাক্ষী। এই ব্যতিক্রমী ঘটনার কারণে এই বছর ১২টি পূর্ণিমার পরিবর্তে ১৩টি পূর্ণিমা দেখা যাবে।

চাঁদের পর্যায়গুলোর চক্র প্রায় এক মাস স্থায়ী হয় এবং বছরে সাধারণত ১২টি পূর্ণিমা দেখা যায়। কিন্তু চাঁদের পর্যায় শেষ হতে সময় লাগে সাড়ে ২৯ দিন, যার ফলে ১২টি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করতে ৩৫৪ দিন প্রয়োজন হয়। এটি একটি ক্যালেন্ডার বছরের ৩৬৫ বা লিপ ইয়ারের ৩৬৬ দিনের চেয়ে কম। এই সময়ের পার্থক্যের কারণেই প্রায় প্রতি আড়াই বছরে একটি অতিরিক্ত পূর্ণিমা দেখা মেলে, যা ‘নীল চাঁদ’ নামে পরিচিত।

সাধারণত প্রতি দুই বা তিন বছর অন্তর ‘নীল চাঁদ’ দেখা যায়। তবে, ২০১৮ সালে এক বছরে দুটি নীল চাঁদ দেখা গিয়েছিল মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে। জ্যোতির্বিদরা বলছেন, পরের বার আমরা এক বছরে দুটি নীল চাঁদ দেখতে পাব ২০৩৭ সালে। চাঁদের এই নামকরণ ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন মাসের পূর্ণিমার সাথে সম্পর্কিত, যেমন—‘উলফ মুন’ জানুয়ারিতে, ‘স্নো মুন’ ফেব্রুয়ারিতে, ‘স্ট্রবেরি মুন’ জুনে এবং ‘কোল্ড মুন’ ডিসেম্বরে। তবে ‘নীল চাঁদ’ শব্দটি কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট নয়, কিন্তু এই বিরল ঘটনা জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রেমীদের জন্য এক বিশেষ আকর্ষণ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুশয্যায় হাজার বছরের প্রাচীন বাওবাব: গ্রামবাসীর আধ্যাত্মিক আশ্রয় ও প্রকৃতির বিপন্নতার প্রতীক

বিরল ‘নীল চাঁদ’ : জ্যোতির্বিজ্ঞানে এক অসাধারণ ঘটনা

আপডেট সময় : ০৯:৩০:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘নীল চাঁদ’ বা ব্লু মুন একটি বিরল এবং অসাধারণ ঘটনা। সাধারণত, একই মাসে দুটি পূর্ণিমা হলে দ্বিতীয় পূর্ণিমাকে ‘নীল চাঁদ’ বলা হয়। গত ১ মে পূর্ণিমা ছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় এই মাসে আরেকটি পূর্ণিমা দেখা যাবে, যা একটি বিরল ঘটনার সাক্ষী। এই ব্যতিক্রমী ঘটনার কারণে এই বছর ১২টি পূর্ণিমার পরিবর্তে ১৩টি পূর্ণিমা দেখা যাবে।

চাঁদের পর্যায়গুলোর চক্র প্রায় এক মাস স্থায়ী হয় এবং বছরে সাধারণত ১২টি পূর্ণিমা দেখা যায়। কিন্তু চাঁদের পর্যায় শেষ হতে সময় লাগে সাড়ে ২৯ দিন, যার ফলে ১২টি পূর্ণ চক্র সম্পন্ন করতে ৩৫৪ দিন প্রয়োজন হয়। এটি একটি ক্যালেন্ডার বছরের ৩৬৫ বা লিপ ইয়ারের ৩৬৬ দিনের চেয়ে কম। এই সময়ের পার্থক্যের কারণেই প্রায় প্রতি আড়াই বছরে একটি অতিরিক্ত পূর্ণিমা দেখা মেলে, যা ‘নীল চাঁদ’ নামে পরিচিত।

সাধারণত প্রতি দুই বা তিন বছর অন্তর ‘নীল চাঁদ’ দেখা যায়। তবে, ২০১৮ সালে এক বছরে দুটি নীল চাঁদ দেখা গিয়েছিল মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে। জ্যোতির্বিদরা বলছেন, পরের বার আমরা এক বছরে দুটি নীল চাঁদ দেখতে পাব ২০৩৭ সালে। চাঁদের এই নামকরণ ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন মাসের পূর্ণিমার সাথে সম্পর্কিত, যেমন—‘উলফ মুন’ জানুয়ারিতে, ‘স্নো মুন’ ফেব্রুয়ারিতে, ‘স্ট্রবেরি মুন’ জুনে এবং ‘কোল্ড মুন’ ডিসেম্বরে। তবে ‘নীল চাঁদ’ শব্দটি কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট নয়, কিন্তু এই বিরল ঘটনা জ্যোতির্বিজ্ঞান প্রেমীদের জন্য এক বিশেষ আকর্ষণ।