ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরব নিজস্ব প্রযুক্তিতে দূরপাল্লার আত্মঘাতী ড্রোন উৎপাদনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইরানের তৈরি ‘শাহেদ-১৩৬’ ড্রোনের আদলে এই ড্রোন তৈরির পরিকল্পনা করছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভেক্টর ডিফেন্স এবং সৌদি আরবের স্টার্টআপ এসআর২ ডিফেন্স সিস্টেমস-এর যৌথ উদ্যোগে রিয়াদের কাছে একটি ড্রোন উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। সেখানে ‘স্কাইওয়াস্প’ নামের একটি ড্রোন তৈরি করা হবে, যা মূলত ইরানের শাহেদ ড্রোনের নকশা অনুসরণ করবে।
এই ড্রোনের পাল্লা প্রায় ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার, যা উপসাগরীয় অঞ্চলের কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা করে তৈরি করা হচ্ছে। উত্তর-পূর্ব সৌদি আরব থেকে তেহরানের দূরত্বও প্রায় একই রকম। গত ফেব্রুয়ারি থেকে উপসাগরীয় দেশগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হামলার সম্মুখীন হচ্ছে। এই সংঘাত সস্তা ড্রোনের বিরুদ্ধে ব্যয়বহুল বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সৌদি আরবের এই উদ্যোগ আধুনিক যুদ্ধ কৌশলের একটি বড় পরিবর্তন নির্দেশ করে। শাহেদ-১৩৬ ড্রোন এখন একটি কার্যকর সামরিক মডেলে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রগুলো এখন জটিল ও ব্যয়বহুল অস্ত্রের পরিবর্তে কম খরচে বিপুল সংখ্যায় তৈরি করা সম্ভব এমন অস্ত্রে বিনিয়োগ করছে, যা প্রতিরক্ষাব্যুহকে ব্যাহত করতে এবং দীর্ঘ মেয়াদে চাপ বজায় রাখতে সক্ষম। সৌদি আরব এখন কেবল পশ্চিমা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল না থেকে নিজস্ব প্রযুক্তিতে আক্রমণাত্মক ড্রোন সক্ষমতা গড়ে তুলতে চাইছে।
রিপোর্টারের নাম 





















