ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পুলিশের চাকরিকে ‘বিজনেস’ বলা ওসি প্রত্যাহার: তদন্ত কমিটি গঠন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাশেমের একটি অডিও রেকর্ডিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অডিওটিতে ওসিকে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘পুলিশের চাকরি ওয়ান কাইন্ড অব বিজনেস। আমরা কেউ কাউকে ঠকাবো না। সবাই মিলেমিশে থাকবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কিন্তু একজন আরেকজনরে সেইফে রাখছি। সবাই সমন্বয় করে চলতে হবে। ওসির মাথায় কিন্তু কাঁঠাল ভেঙে খাইতে পারবেন না।’

ওসি আবুল হাশেমের এই বক্তব্যে আরও শোনা যায়, ‘আমার যারা কনস্টেবল আছে—তারা যেন যেটা পাওয়ার, সেটা পায়, তারা যেন বঞ্চিত না হয়। হক মারা আমি পছন্দ করি না। কারণ, যারা হক মারে, রাসুল তারে সাফায়েত করবে না। এটাই কিন্তু ফাইনাল কথা। কেউ চালাকি করবেন না। বর্তমান মিডিয়া অনেক এগিয়ে আছে।’

তবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল হাশেম দাবি করেন যে তিনি এমন কোনো কথা বলেননি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বক্তব্য সম্পর্কে তিনি অবগত নন। অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম জানান, ওসি আবুল হাশেমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শর্ত না মানলে ইরানের সঙ্গে আবারও যুদ্ধ শুরুর হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

পুলিশের চাকরিকে ‘বিজনেস’ বলা ওসি প্রত্যাহার: তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ০৫:১২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

নেত্রকোনার কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাশেমের একটি অডিও রেকর্ডিং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অডিওটিতে ওসিকে পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, ‘পুলিশের চাকরি ওয়ান কাইন্ড অব বিজনেস। আমরা কেউ কাউকে ঠকাবো না। সবাই মিলেমিশে থাকবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কিন্তু একজন আরেকজনরে সেইফে রাখছি। সবাই সমন্বয় করে চলতে হবে। ওসির মাথায় কিন্তু কাঁঠাল ভেঙে খাইতে পারবেন না।’

ওসি আবুল হাশেমের এই বক্তব্যে আরও শোনা যায়, ‘আমার যারা কনস্টেবল আছে—তারা যেন যেটা পাওয়ার, সেটা পায়, তারা যেন বঞ্চিত না হয়। হক মারা আমি পছন্দ করি না। কারণ, যারা হক মারে, রাসুল তারে সাফায়েত করবে না। এটাই কিন্তু ফাইনাল কথা। কেউ চালাকি করবেন না। বর্তমান মিডিয়া অনেক এগিয়ে আছে।’

তবে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবুল হাশেম দাবি করেন যে তিনি এমন কোনো কথা বলেননি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বক্তব্য সম্পর্কে তিনি অবগত নন। অডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম জানান, ওসি আবুল হাশেমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুল ইসলামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।