পবিত্র ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষ ঢাকা ফিরতে শুরু করেছেন। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ অনেকটাই কম। ফলে নৌপথে ভ্রমণকারীরা স্বস্তিতেই নিজ গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের উপস্থিতি থাকলেও কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা হয়রানির চিত্র দেখা যায়নি।
রবিবার (৩১ মে) সকালে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, ভোর ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ৪০টি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। যাত্রীরা নির্বিঘ্নে টার্মিনাল থেকে নেমে স্বাভাবিকভাবে নিজ নিজ গন্তব্যের দিকে রওনা হচ্ছেন। নৌপথে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই যাত্রা করতে পেরে খুশি যাত্রীরা। এছাড়া, বাড়তি ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি। যাদের অফিস বা কর্মস্থল সোমবার (১ জুন) থেকে খুলছে, তারাই মূলত আজ ঢাকায় ফিরছেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা-চাঁদপুর রুটের এমভি সোনার তরী-৪ লঞ্চের যাত্রী সাজেদা আক্তার জানান, “সাত দিনের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। পরিবার নিয়ে ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছি। ভিড় এড়ানোর জন্য কিছুটা আগেই ঢাকা ফিরলাম, কারণ কাল থেকে অফিস শুরু।” আরেক যাত্রী আশরাফ আবির বলেন, “পরিবার নিয়ে গ্রামে ঈদ করতে গিয়েছিলাম। এবারের ঈদ যাত্রা অনেক আনন্দদায়ক ছিল। বাড়তি ভাড়া নেওয়া হয়নি এবং পথে কোনো ঝামেলাও পোহাতে হয়নি।” চাঁদপুরের মতলব থেকে চার বছরের মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফেরা সালমা জাহান বলেন, “লঞ্চে তেমন ভিড় ছিল না, ঝামেলা ছাড়াই এসেছি। ঈদও ভালো কেটেছে।”
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) বোর্ডিং সারেং নুরুজ্জামান সুমন জানান, ঈদের ছুটি শেষ হওয়ায় সোমবার থেকে যাত্রীর চাপ আরও বাড়তে পারে। তিনি বলেন, “আজ যাত্রীর চাপ তুলনামূলকভাবে কম। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় ৪০টি লঞ্চ সদরঘাটে পৌঁছেছে। রাত ১০টা পর্যন্ত আরও কিছু লঞ্চ আসার সম্ভাবনা রয়েছে।”
রিপোর্টারের নাম 



















