ঢাকা ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

কুমিল্লা প্রশাসককে ‘মূর্খ’ বলে সম্বোধন করলেন আসিফ মাহমুদ, টাকা নেওয়ার অভিযোগ খণ্ডন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপদেষ্টা থাকাকালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মোস্তাক মিয়া। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম হয়েছে। এই প্রসঙ্গে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে আসিফ মাহমুদ অভিযোগটি খণ্ডন করেছেন।

শনিবার রাতে দেওয়া ভিডিওটিতে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি কোথা থেকে মূর্খ লোকজনকে ধরে নিয়ে আসে যাদের বিন্দুমাত্র অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ধারণা নেই, যাদের না আছে কোনো পড়াশোনা, যাদের না আছে প্রাতিষ্ঠানিক বোঝাপড়া। আপনারা তো দেখতে পেয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক কারা হয়েছেন, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক কারা হয়েছেন, যারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন, যারা নমিনেশন বঞ্চিত ছিল, যাদেরকে জনগণ এমপি হিসেবে নির্বাচিত করে নাই, যাদেরকে জনগণ রিজেক্ট করেছে, দল যাদের এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার যোগ্য মনে করে নাই তাদেরকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের লোকেরা এখন উল্টাপাল্টা কথা-বার্তা বলে বেড়াচ্ছে।’

টাকা নেওয়ার অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপি মুখপাত্র আরও বলেন, ‘এ বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার আসলে ঘটনাটি কী। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ছিল ৪২ থেকে ৪৩ হাজার কোটি টাকার মতো। বিগত অর্থবছরে এটি ছিল প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো। এই অর্থের মধ্যে একটা অংশের মধ্যে আছে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ। এটা স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী, সচিব, প্রতিমন্ত্রী তারা যেকোনো উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ যেকোনো জায়গায় যদি তিনি অনুভব করেন যেখানে এটা বরাদ্দ দিতে পারেন। এর বাইরে সাধারণ বরাদ্দ আছেই। সাধারণ বরাদ্দ প্রোপোসনেটলি ঠিক হয়ে থাকে। যেমন কুমিল্লা একটা জেলা, ফেনী একটা জেলা। কিন্তু, কুমিল্লাতে ফেনীর থেকে উপজেলার পরিমাণ অনেক বেশি। তো কয়টা উপজেলা আছে, জনসংখ্যা কত, ভোটার কত, সেটা বিবেচনায় বরাদ্দ হয়ে থাকে। সাধারণ বরাদ্দের পাঁচটি খাত, একটা হচ্ছে জেলা পরিষদ, একটা পৌরসভা, একটা উপজেলা পরিষদ, একটা ইউনিয়ন পরিষদ, একটা সিটি করপোরেশন, এই পাঁচ খাতেই চলে যায়। এটা হচ্ছে সাধারণ বরাদ্দ যা প্রতি বছরই থাকে এবং সেটা চার ধাপে উন্মুক্ত করা হয়। এরপর উপজেলা পরিষদের যে প্রশাসক থাকে তিনি তার সভাপতিত্বে একটা কমিটি থাকে যে এই অর্থ কীভাবে খরচ করা হবে এটা তারা…’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ প্রজন্মকে তামাকের আগ্রাসন থেকে রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান

কুমিল্লা প্রশাসককে ‘মূর্খ’ বলে সম্বোধন করলেন আসিফ মাহমুদ, টাকা নেওয়ার অভিযোগ খণ্ডন

আপডেট সময় : ১২:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া উপদেষ্টা থাকাকালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মোস্তাক মিয়া। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম হয়েছে। এই প্রসঙ্গে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ভিডিও বার্তা দিয়ে আসিফ মাহমুদ অভিযোগটি খণ্ডন করেছেন।

শনিবার রাতে দেওয়া ভিডিওটিতে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি কোথা থেকে মূর্খ লোকজনকে ধরে নিয়ে আসে যাদের বিন্দুমাত্র অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ধারণা নেই, যাদের না আছে কোনো পড়াশোনা, যাদের না আছে প্রাতিষ্ঠানিক বোঝাপড়া। আপনারা তো দেখতে পেয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক কারা হয়েছেন, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক কারা হয়েছেন, যারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন, যারা নমিনেশন বঞ্চিত ছিল, যাদেরকে জনগণ এমপি হিসেবে নির্বাচিত করে নাই, যাদেরকে জনগণ রিজেক্ট করেছে, দল যাদের এমপি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার যোগ্য মনে করে নাই তাদেরকে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের লোকেরা এখন উল্টাপাল্টা কথা-বার্তা বলে বেড়াচ্ছে।’

টাকা নেওয়ার অভিযোগের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপি মুখপাত্র আরও বলেন, ‘এ বিষয়টি পরিষ্কার করা দরকার আসলে ঘটনাটি কী। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ছিল ৪২ থেকে ৪৩ হাজার কোটি টাকার মতো। বিগত অর্থবছরে এটি ছিল প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার মতো। এই অর্থের মধ্যে একটা অংশের মধ্যে আছে স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ। এটা স্থানীয় সরকার বিভাগের মন্ত্রী, সচিব, প্রতিমন্ত্রী তারা যেকোনো উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ যেকোনো জায়গায় যদি তিনি অনুভব করেন যেখানে এটা বরাদ্দ দিতে পারেন। এর বাইরে সাধারণ বরাদ্দ আছেই। সাধারণ বরাদ্দ প্রোপোসনেটলি ঠিক হয়ে থাকে। যেমন কুমিল্লা একটা জেলা, ফেনী একটা জেলা। কিন্তু, কুমিল্লাতে ফেনীর থেকে উপজেলার পরিমাণ অনেক বেশি। তো কয়টা উপজেলা আছে, জনসংখ্যা কত, ভোটার কত, সেটা বিবেচনায় বরাদ্দ হয়ে থাকে। সাধারণ বরাদ্দের পাঁচটি খাত, একটা হচ্ছে জেলা পরিষদ, একটা পৌরসভা, একটা উপজেলা পরিষদ, একটা ইউনিয়ন পরিষদ, একটা সিটি করপোরেশন, এই পাঁচ খাতেই চলে যায়। এটা হচ্ছে সাধারণ বরাদ্দ যা প্রতি বছরই থাকে এবং সেটা চার ধাপে উন্মুক্ত করা হয়। এরপর উপজেলা পরিষদের যে প্রশাসক থাকে তিনি তার সভাপতিত্বে একটা কমিটি থাকে যে এই অর্থ কীভাবে খরচ করা হবে এটা তারা…’