ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনেও (শনিবার) রাজধানী ঢাকার সড়কগুলো ছিল অনেকটাই জনশূন্য। তবে ঈদের ছুটি শেষ হওয়ার সাথে সাথে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন কিছু মানুষ। সরকারি ছুটির আরও একদিন বাকি থাকায় এখনও বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকার বাইরে অবস্থান করছেন। ফলে, ব্যস্ততম এই নগরীর সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কম থাকায় নগরবাসী স্বস্তিতে চলাচল করতে পারছেন।
শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, স্বাভাবিক দিনের তুলনায় সড়কে গাড়ির সংখ্যা ছিল অনেক কম। প্রধান প্রধান মোড় ও সড়কগুলোতে যানজট না থাকায় খুব সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া যাচ্ছে। তবে, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ, মাংস সংরক্ষণ ও বিতরণ, এবং আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া মানুষের আনাগোনা দেখা গেছে। এছাড়াও, কিছু মানুষ ছুটির দিনে ঘুরতে বের হয়েছেন। কিছু দোকানপাট, রেস্তোরাঁ এবং জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানও খোলা ছিল।
রাজধানীমুখী বিভিন্ন মহাসড়ক ও বাসস্ট্যান্ডগুলোতেও যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক দেখা গেছে। ময়মনসিংহ, শেরপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ এবং গাজীপুরের কাপাসিয়াসহ আশেপাশের এলাকা থেকে আসা বাসগুলোতে স্বাভাবিক সংখ্যক যাত্রী ছিল। কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করার দৃশ্য দেখা যায়নি।
গত বৃহস্পতিবার সারা দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে রাজধানী ছেড়েছেন লাখ লাখ মানুষ।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২৬ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। এছাড়াও, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২৫ মে নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত ছুটি দেয় সরকার। সব মিলিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের ছুটি পেয়েছেন। অনেকেই এখনও ঢাকার বাইরে থাকায় রাজধানীতে ছুটির আমেজ বিরাজ করছে।
রিপোর্টারের নাম 


















