ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

সিনেমার সাফল্য অনিশ্চিত, এটাই এর সৌন্দর্য: আরিফিন শুভ

ঈদের আবহে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর দর্শক সাড়ায় মুখর প্রেক্ষাগৃহে চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ তাঁর সহশিল্পী বিদ্যা সিনহা মিমকে সঙ্গে নিয়ে দর্শকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। এসময় তিনি সিনেমার সাফল্য ও বক্স অফিস সমীকরণ নিয়ে নিজের গভীর উপলব্ধি ব্যক্ত করেন।

আরিফিন শুভ বলেছেন, “সিনেমার সাফল্য আসলে অনিশ্চিত এবং এটাই এর আসল সৌন্দর্য।” তিনি ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাস সৃষ্টিকারী ছবি ‘বেদের মেয়ে জোছনা’র উদাহরণ টেনে বলেন, ছবির শুটিংয়ের সময় অনেকেই ইলিয়াস কাঞ্চনকে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু মুক্তির পর ছবিটি ইতিহাস তৈরি করে।

শুভ তাঁর অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে জানান, সিনেমা নিয়ে আগে থেকে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়। অনেক আশা নিয়ে করা ছবি হয়তো অতটা সাড়া পায়নি, আবার অনেক টেনশন করা ছবিও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি বলেন, আপনি যতই প্রচারণা করুন না কেন, সিনেমা আসলে অনিশ্চিত। সিনেমা দেখার পর ভালো লাগা বা না লাগার শেষ সিদ্ধান্তটা দর্শকই নেন।

ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশকে একপাশে রেখে দর্শকদের বিনোদন দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল উল্লেখ করে শুভ বলেন, ঈদের মৌসুমে দর্শকরা মারামারি, প্রেম, দুঃখ, সংলাপ এবং গান দেখে আনন্দ খুঁজে বেড়ায়। তাদের উদ্দেশ্যও ছিল ঈদের অন্যান্য ছবির সঙ্গে বাড়তি আনন্দ যোগ করা।

অনেক কষ্ট ও পরিশ্রমের পর সিনেমাটি দর্শকের সামনে আনতে পেরেছেন জানিয়ে এই নায়ক বলেন, সমস্ত সমীকরণ পেরিয়ে এখন কেবল একটাই চাওয়া—ছবিটি যেন দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিষেকের ওপর হামলা: সোনরপুরে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে ডিম-পাথর নিক্ষেপ ও ‘চোর চোর’ স্লোগানের অভিযোগ

সিনেমার সাফল্য অনিশ্চিত, এটাই এর সৌন্দর্য: আরিফিন শুভ

আপডেট সময় : ০৮:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ঈদের আবহে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোর দর্শক সাড়ায় মুখর প্রেক্ষাগৃহে চিত্রনায়ক আরিফিন শুভ তাঁর সহশিল্পী বিদ্যা সিনহা মিমকে সঙ্গে নিয়ে দর্শকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। এসময় তিনি সিনেমার সাফল্য ও বক্স অফিস সমীকরণ নিয়ে নিজের গভীর উপলব্ধি ব্যক্ত করেন।

আরিফিন শুভ বলেছেন, “সিনেমার সাফল্য আসলে অনিশ্চিত এবং এটাই এর আসল সৌন্দর্য।” তিনি ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাস সৃষ্টিকারী ছবি ‘বেদের মেয়ে জোছনা’র উদাহরণ টেনে বলেন, ছবির শুটিংয়ের সময় অনেকেই ইলিয়াস কাঞ্চনকে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু মুক্তির পর ছবিটি ইতিহাস তৈরি করে।

শুভ তাঁর অভিনয় জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে জানান, সিনেমা নিয়ে আগে থেকে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করা সম্ভব নয়। অনেক আশা নিয়ে করা ছবি হয়তো অতটা সাড়া পায়নি, আবার অনেক টেনশন করা ছবিও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। তিনি বলেন, আপনি যতই প্রচারণা করুন না কেন, সিনেমা আসলে অনিশ্চিত। সিনেমা দেখার পর ভালো লাগা বা না লাগার শেষ সিদ্ধান্তটা দর্শকই নেন।

ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশকে একপাশে রেখে দর্শকদের বিনোদন দেওয়াই তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল উল্লেখ করে শুভ বলেন, ঈদের মৌসুমে দর্শকরা মারামারি, প্রেম, দুঃখ, সংলাপ এবং গান দেখে আনন্দ খুঁজে বেড়ায়। তাদের উদ্দেশ্যও ছিল ঈদের অন্যান্য ছবির সঙ্গে বাড়তি আনন্দ যোগ করা।

অনেক কষ্ট ও পরিশ্রমের পর সিনেমাটি দর্শকের সামনে আনতে পেরেছেন জানিয়ে এই নায়ক বলেন, সমস্ত সমীকরণ পেরিয়ে এখন কেবল একটাই চাওয়া—ছবিটি যেন দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়।