ঢাকা ০৪:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলে ঈদের তৃতীয় দিনে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

পবিত্র ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনে রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের ছুটি উপভোগ করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনায় এসেছেন। কেউ দেশের ইতিহাস জানতে, আবার কেউ সন্তানদের নবাবদের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাসাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এখানে এসেছেন।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে সদরঘাট এলাকার আহসান মঞ্জিল ঘুরে দেখা যায়, মূল ফটক, বাগান এবং জাদুঘর এলাকাজুড়ে ছিল দর্শনার্থীদের সরব উপস্থিতি। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস, তরুণ-তরুণীদের ছবি তোলা এবং পরিবারের একসঙ্গে সময় কাটানোর দৃশ্যে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল। টিকিট কাউন্টারের সামনেও ছিল লম্বা লাইন।

১৮৫৯ সালে নবাব আবদুল গনির উদ্যোগে নির্মিত আহসান মঞ্জিল একসময় ঢাকার নবাব পরিবারের আবাসস্থল ছিল এবং পরে এটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে এখানে নবাব পরিবারের ব্যবহৃত আসবাবপত্র, ঐতিহাসিক দলিল, দুর্লভ আলোকচিত্র ও বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। দর্শনার্থীদের মতে, দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এই স্থাপনাটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। অনেক অভিভাবক মনে করেন, নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে আহসান মঞ্জিলের মতো ঐতিহাসিক স্থানে পরিবার নিয়ে সময় কাটানো ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

দর্শনার্থীদের ভিড় সামাল দিতে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি টিকিট কাউন্টার ও প্রবেশপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলে ঈদের তৃতীয় দিনে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহার তৃতীয় দিনে রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক আহসান মঞ্জিলে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের ছুটি উপভোগ করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনায় এসেছেন। কেউ দেশের ইতিহাস জানতে, আবার কেউ সন্তানদের নবাবদের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাসাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এখানে এসেছেন।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে সদরঘাট এলাকার আহসান মঞ্জিল ঘুরে দেখা যায়, মূল ফটক, বাগান এবং জাদুঘর এলাকাজুড়ে ছিল দর্শনার্থীদের সরব উপস্থিতি। শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস, তরুণ-তরুণীদের ছবি তোলা এবং পরিবারের একসঙ্গে সময় কাটানোর দৃশ্যে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে উঠেছিল। টিকিট কাউন্টারের সামনেও ছিল লম্বা লাইন।

১৮৫৯ সালে নবাব আবদুল গনির উদ্যোগে নির্মিত আহসান মঞ্জিল একসময় ঢাকার নবাব পরিবারের আবাসস্থল ছিল এবং পরে এটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে এখানে নবাব পরিবারের ব্যবহৃত আসবাবপত্র, ঐতিহাসিক দলিল, দুর্লভ আলোকচিত্র ও বিভিন্ন নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। দর্শনার্থীদের মতে, দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এই স্থাপনাটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। অনেক অভিভাবক মনে করেন, নতুন প্রজন্মকে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে আহসান মঞ্জিলের মতো ঐতিহাসিক স্থানে পরিবার নিয়ে সময় কাটানো ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

দর্শনার্থীদের ভিড় সামাল দিতে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি টিকিট কাউন্টার ও প্রবেশপথে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।