২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হতে চলেছে, কারণ প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল এই মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য এই মহাযজ্ঞ নতুন ফরম্যাটে আরও বেশি ম্যাচ এবং তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে আসবে। এর ফলে বিশ্ব ফুটবলের মঞ্চে নতুন কিছু দেশের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হবে, যা খেলার মান এবং বৈশ্বিক উন্মাদনাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
এই বর্ধিত আসরে দলগুলোকে তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাস, বর্তমান ফিফা র্যাঙ্কিং, কততম আসরে খেলছে এবং মূল পর্বে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জনের প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। স্বাগতিক দেশ মেক্সিকো, যারা ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ১৫তম স্থানে রয়েছে এবং কনকাকাফ অঞ্চলের প্রতিনিধি, তারা ১৮তম বারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। মেক্সিকো বিশ্বকাপের অন্যতম নিয়মিত দল এবং তাদের সেরা সাফল্য ১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছানো। তবে, ১৯৯৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা সাতবার নকআউটের প্রথম ধাপেই তাদের বিদায় নিতে হয়েছে, যা ‘শেষ ষোলোর অভিশাপ’ নামে পরিচিত। ২০২২ সালে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল, যা ১৯৭৮ সালের পর প্রথম।
আফ্রিকা অঞ্চলের দল দক্ষিণ আফ্রিকার ফিফা র্যাঙ্কিং ৬০ এবং তারা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। তারা পূর্বে ১৯৯৮, ২০০২ এবং ২০১০ সালে বিশ্বকাপে খেলেছিল, কিন্তু প্রতিবারই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়। ২০১০ সালে আয়োজক হয়েও তারা গ্রুপ পর্ব পার হতে পারেনি, যদিও ফ্রান্সকে হারানোর স্মৃতি তাদের রয়েছে। ১৬ বছর পর তারা বিশ্বকাপে ফিরেছে।
এশিয়া অঞ্চলের অন্যতম সফল দল দক্ষিণ কোরিয়া ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২৫তম স্থানে রয়েছে এবং এটি তাদের ১২তম বিশ্বকাপ। তারা ১৯৮২ সালের পর থেকে কোনো আসর মিস করেনি। ২০০২ সালে জাপানের সঙ্গে যৌথ আয়োজক হিসেবে তারা সেমিফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। ইতালি ও স্পেনকে হারিয়ে শেষ চারে ওঠা সেই দলটি এশিয়ান ফুটবলের মানদণ্ডে এখনও সেরা হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১৮ সালে তারা জার্মানিকে ২-০ গোলে পরাজিত করে বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 

























