ঢাকা ০৯:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে পুলিশের বর্বরতা: অন্তর্বাস পরিয়ে তৃণমূল নেতাদের রাস্তায় ঘোরানোয় তোলপাড়

পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার নামে পুলিশের অতিসতর্কতা ও বর্বরতার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত অন্তত তিনজন প্রভাবশালী নেতাকে হাতকড়া ও অন্তর্বাস পরিয়ে রাস্তায় ঘোরানো হচ্ছে। এই ঘটনাটি রাজ্যের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজনকে অন্তর্বাস পরা অবস্থায় রাস্তায় হাঁটানো হয়েছে। অন্য একজন সাবেক হোমগার্ড সদস্যকে গলায় দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধস্থল পুনর্গঠন ও তদন্তের প্রয়োজনে অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাদের চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের ঘটনাকে আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। দলটির মতে, এটি ‘সার্কাসের প্রদর্শনীর’ মতো পরিস্থিতি তৈরি করছে। তৃণমূলের সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ধরনের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এটি আইন ও মানবাধিকারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, কঠোর অপরাধীকেও এভাবে বাজারে ঘোরানো আইনসম্মত নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

পশ্চিমবঙ্গে পুলিশের বর্বরতা: অন্তর্বাস পরিয়ে তৃণমূল নেতাদের রাস্তায় ঘোরানোয় তোলপাড়

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার নামে পুলিশের অতিসতর্কতা ও বর্বরতার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা গেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত অন্তত তিনজন প্রভাবশালী নেতাকে হাতকড়া ও অন্তর্বাস পরিয়ে রাস্তায় ঘোরানো হচ্ছে। এই ঘটনাটি রাজ্যের রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাটি পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজনকে অন্তর্বাস পরা অবস্থায় রাস্তায় হাঁটানো হয়েছে। অন্য একজন সাবেক হোমগার্ড সদস্যকে গলায় দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধস্থল পুনর্গঠন ও তদন্তের প্রয়োজনে অভিযুক্তদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাদের চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেস এই ধরনের ঘটনাকে আইন ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। দলটির মতে, এটি ‘সার্কাসের প্রদর্শনীর’ মতো পরিস্থিতি তৈরি করছে। তৃণমূলের সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই ধরনের পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, এটি আইন ও মানবাধিকারের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, কঠোর অপরাধীকেও এভাবে বাজারে ঘোরানো আইনসম্মত নয়।