ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

হামলা-বিধিনিষেধ সত্ত্বেও ফিলিস্তিনিদের ঈদুল আজহা উদযাপন

ইসরায়েলি বিমান হামলা ও বোমা বর্ষণের মধ্যেই গাজা উপত্যকার অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনিরা ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। অন্যদিকে, কঠোর ইসরায়েলি বিধিনিষেধের মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেব্রনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে সীমিত সংখ্যক ফিলিস্তিনি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইব্রাহিমি মসজিদের ফটক বন্ধ করে দেয় এবং প্রবেশমুখে মুসল্লিদের তল্লাশি করে। এতে নামাজে অংশ নিতে দেরি হওয়ায় অনেক মুসল্লি অন্য মসজিদে চলে যেতে বাধ্য হন। নামাজে মাত্র ৩০০ জন মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন, এ সময় ইসরায়েলি বাহিনী মসজিদের কাছে শব্দবোমা নিক্ষেপ করে, যা মুসল্লিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হেব্রনের গভর্নর অভিযোগ করেছেন, এটি ধর্মীয় প্রতিস্থাপন এবং ধর্মীয় সন্ত্রাস। তিনি বলেন, চার হাজার বছরেরও বেশি পুরানো এই ঐতিহাসিক নিদর্শন রক্ষা করা ফিলিস্তিনিদের দায়িত্ব।

এদিকে, পশ্চিম তীরের বেথলেহেমের ম্যাঙ্গার স্কয়ারে ফিলিস্তিনিরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন। বেথলেহেমের মুফতি শেখ আব্দুল মজিদ আমারনাহ বলেছেন, এবারের ঈদের বার্তা হলো শত্রুদের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এই জাতিকে উপড়ে ফেলা বা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ সত্ত্বেও ফিলিস্তিনি জনগণ অবিচল থাকবে।

হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর নিজের পুত্রকে কোরবানির ত্যাগের স্মরণে মুসলমানরা প্রতি বছর এই ঈদ উদযাপন করেন। তবে এবারের ঈদ এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুদ্ধ, অবরোধ এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার হয়ে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি উৎসব পালন করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদ উদযাপনের মধ্যে মর্মান্তিক ঘটনা: গলায় মাংস আটকে কিশোরের মৃত্যু

হামলা-বিধিনিষেধ সত্ত্বেও ফিলিস্তিনিদের ঈদুল আজহা উদযাপন

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬

ইসরায়েলি বিমান হামলা ও বোমা বর্ষণের মধ্যেই গাজা উপত্যকার অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনিরা ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। অন্যদিকে, কঠোর ইসরায়েলি বিধিনিষেধের মধ্যে অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেব্রনে অবস্থিত ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে সীমিত সংখ্যক ফিলিস্তিনি ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইব্রাহিমি মসজিদের ফটক বন্ধ করে দেয় এবং প্রবেশমুখে মুসল্লিদের তল্লাশি করে। এতে নামাজে অংশ নিতে দেরি হওয়ায় অনেক মুসল্লি অন্য মসজিদে চলে যেতে বাধ্য হন। নামাজে মাত্র ৩০০ জন মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন, এ সময় ইসরায়েলি বাহিনী মসজিদের কাছে শব্দবোমা নিক্ষেপ করে, যা মুসল্লিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। হেব্রনের গভর্নর অভিযোগ করেছেন, এটি ধর্মীয় প্রতিস্থাপন এবং ধর্মীয় সন্ত্রাস। তিনি বলেন, চার হাজার বছরেরও বেশি পুরানো এই ঐতিহাসিক নিদর্শন রক্ষা করা ফিলিস্তিনিদের দায়িত্ব।

এদিকে, পশ্চিম তীরের বেথলেহেমের ম্যাঙ্গার স্কয়ারে ফিলিস্তিনিরা ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন। বেথলেহেমের মুফতি শেখ আব্দুল মজিদ আমারনাহ বলেছেন, এবারের ঈদের বার্তা হলো শত্রুদের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এই জাতিকে উপড়ে ফেলা বা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ সত্ত্বেও ফিলিস্তিনি জনগণ অবিচল থাকবে।

হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর নিজের পুত্রকে কোরবানির ত্যাগের স্মরণে মুসলমানরা প্রতি বছর এই ঈদ উদযাপন করেন। তবে এবারের ঈদ এমন এক সময়ে এসেছে যখন যুদ্ধ, অবরোধ এবং ইসরায়েলি আগ্রাসনের শিকার হয়ে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি উৎসব পালন করছেন।