বিশ্বকাপ ফুটবল দোরগোড়ায় হলেও বাংলাদেশে চিরচেনা উন্মাদনা সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। অলিগলিতে জাতীয় পতাকার ঢেউ নেই, সমর্থকদের তর্ক-বিতর্কেও আগের সেই ঝাঁজ অনুপস্থিত। ফুটবলপ্রেমীদের মতে, আসন্ন ঈদুল আজহার ব্যস্ততা, আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয় নিয়ে সমর্থকদের সন্তুষ্টি, ব্রাজিলের দীর্ঘ ট্রফিখরা এবং ক্লাব ফুটবলের প্রভাব—সব মিলিয়ে এখনো বিশ্বকাপের আবহ সেভাবে জমে ওঠেনি। তবে তারা আশাবাদী, ঈদের পরই এই দৃশ্যপট বদলাবে।
ফুটবল অনুরাগী মেহেদী জামান সনেট তার পর্যবেক্ষণে জানিয়েছেন, এবার বিশ্বকাপ ঘিরে সমর্থকদের আবেগ তুলনামূলকভাবে কম। বিভিন্ন সমর্থক গ্রুপে আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এমনটাই অনুভব করেছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সমর্থকরা মূলত দুই গ্রুপে বিভক্ত—এক দল আর্জেন্টিনা, অন্য দল ব্রাজিল। আর্জেন্টিনা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়াতে তাদের ভক্তের সংখ্যাও বেশ বেড়েছে।’
মেসিভক্ত সনেট গত বিশ্বকাপে সমর্থকদের বড় চাওয়া ছিল মেসির হাতে ট্রফি দেখা। তিনি বলেন, ‘কাতার বিশ্বকাপ জেতার পর মেসির হাতে ট্রফি দেখে ভক্তরাও দারুণ খুশি। তাই আমার মনে হয়, ভক্তরা চেয়েছিল অন্তত মেসির হাতে ট্রফি উঠুক। তা গতবার ট্রফিটা তার হাতে ওঠায় এবার সবাই অনেকটা নির্ভার।’ এ কারণেই এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের চাপ কম বলে তিনি মনে করেন।
ব্রাজিল সমর্থকদের অবস্থাও আলাদা নয় বলে মনে করেন সনেট। তার মতে, ‘তাদেরও অনেকটা আর্জেন্টিনার মতো অবস্থা। ২০০২ সালের পর থেকে ট্রফিবিহীন। তাই বড় গলায় নেইমারদের নিয়ে কিছু বলবে বা করবে সেই জোরটা কমই। কারণ তাদের দল দীর্ঘদিন ধরে ট্রফি জিততে পারছে না।’ বারবার হতাশাও ব্রাজিল সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























