ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ঈদের আগে দা-বটি দোকানে উপচেপড়া ভিড়, ক্রেতাদের স্বস্তিতে দামের স্থিতিশীলতা

ঈদুল আজহার আর মাত্র ক’দিন বাকি। একদিকে কোরবানির পশু কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা, অন্যদিকে কোরবানির পশু কাটা ও মাংস প্রস্তুতের জন্য প্রয়োজনীয় দা, বটি, ছুরি ও চাকু কিনতে বিভিন্ন দোকানে ভিড় করছেন তারা।

রাজধানীর কাওরান বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে ক্রেতার সংখ্যা বাড়লেও ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ভিড় বাড়ছে।

দা-বটি ও ছুরির ব্যবসায়ী গনি মিয়া জানান, মানুষ প্রয়োজন অনুযায়ী দা, বটি ও ছুরি কিনছেন। এসব পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে, কোনো পরিবর্তন হয়নি। আরেক বিক্রেতা মানিক মিয়া জানান, বৃষ্টির কারণে কিছুটা ভিড় কম থাকলেও যারা আসছেন, তাতে তারা সন্তুষ্ট। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আবহাওয়া ভালো হলে বিক্রি আরও বাড়বে এবং প্রতিবছরের মতো এবারও তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।

দা-বটি কিনতে আসা ক্রেতা আব্দুস সালাম জানান, আজ রাতেই কোরবানীর পশু কিনবেন। তাই পশু কেনার আগেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে এসেছেন। তিনি আরও জানান, দাম আগের মতোই আছে। প্রায় চার-পাঁচ মাস আগে ৪৫০ টাকা দিয়ে বটি কিনেছিলেন, এখন ৫০০ টাকা দাম চাইলেও ৪৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ দাম বাড়েনি। আরেক ক্রেতা সোহেলও একই ধরনের মতামত দিয়েছেন।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, দা ও ছুরির দাম প্রকারভেদে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত। ছোট ও মাঝারি চাকুর দাম ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে, আর বটির দাম ৪৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে দাম স্থিতিশীল থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ঈদের আগে ক্রেতা আরও বাড়বে বলে তারা আশাবাদী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘণ্টার চুক্তিতে ‘প্রেমিক ভাড়া’: ভারতীয় নারীদের মাঝে বাড়ছে নতুন প্রবণতা

ঈদের আগে দা-বটি দোকানে উপচেপড়া ভিড়, ক্রেতাদের স্বস্তিতে দামের স্থিতিশীলতা

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ঈদুল আজহার আর মাত্র ক’দিন বাকি। একদিকে কোরবানির পশু কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতারা, অন্যদিকে কোরবানির পশু কাটা ও মাংস প্রস্তুতের জন্য প্রয়োজনীয় দা, বটি, ছুরি ও চাকু কিনতে বিভিন্ন দোকানে ভিড় করছেন তারা।

রাজধানীর কাওরান বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে ক্রেতার সংখ্যা বাড়লেও ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই ভিড় বাড়ছে।

দা-বটি ও ছুরির ব্যবসায়ী গনি মিয়া জানান, মানুষ প্রয়োজন অনুযায়ী দা, বটি ও ছুরি কিনছেন। এসব পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে, কোনো পরিবর্তন হয়নি। আরেক বিক্রেতা মানিক মিয়া জানান, বৃষ্টির কারণে কিছুটা ভিড় কম থাকলেও যারা আসছেন, তাতে তারা সন্তুষ্ট। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আবহাওয়া ভালো হলে বিক্রি আরও বাড়বে এবং প্রতিবছরের মতো এবারও তাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।

দা-বটি কিনতে আসা ক্রেতা আব্দুস সালাম জানান, আজ রাতেই কোরবানীর পশু কিনবেন। তাই পশু কেনার আগেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে এসেছেন। তিনি আরও জানান, দাম আগের মতোই আছে। প্রায় চার-পাঁচ মাস আগে ৪৫০ টাকা দিয়ে বটি কিনেছিলেন, এখন ৫০০ টাকা দাম চাইলেও ৪৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ দাম বাড়েনি। আরেক ক্রেতা সোহেলও একই ধরনের মতামত দিয়েছেন।

ব্যবসায়ীদের তথ্য অনুযায়ী, দা ও ছুরির দাম প্রকারভেদে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত। ছোট ও মাঝারি চাকুর দাম ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে, আর বটির দাম ৪৫০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে দাম স্থিতিশীল থাকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং ঈদের আগে ক্রেতা আরও বাড়বে বলে তারা আশাবাদী।