ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

প্রেমের জেরে বগুড়ায় এএসআইয়ের আত্মহত্যা: চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

বগুড়ায় গলায় ফাঁস দেওয়া পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রবিউল ইসলাম (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রবিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত রবিউল ইসলাম নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার আদাইপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি বগুড়া জেলা পুলিশের ডিএসবিতে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে রবিউল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৯ মে সকালে বগুড়া শহরের জামিলনগর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওই নারীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর তিনি পাশের কক্ষে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেন। বাড়ির সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরদিন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতাউর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, মৃত এএসআই রবিউল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বগুড়ায় আনা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুয়াডাঙ্গায় ৫০ অসহায় পরিবারে নিরাপদ পানির জন্য টিউবওয়েল বিতরণ

প্রেমের জেরে বগুড়ায় এএসআইয়ের আত্মহত্যা: চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু

আপডেট সময় : ০২:৫৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

বগুড়ায় গলায় ফাঁস দেওয়া পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রবিউল ইসলাম (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রবিবার বেলা আড়াইটার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। নিহত রবিউল ইসলাম নওগাঁর বদলগাছি উপজেলার আদাইপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি বগুড়া জেলা পুলিশের ডিএসবিতে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে রবিউল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১৯ মে সকালে বগুড়া শহরের জামিলনগর এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে ওই নারীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এরপর তিনি পাশের কক্ষে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেন। বাড়ির সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে পরদিন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতাউর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, মৃত এএসআই রবিউল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বগুড়ায় আনা হবে।