ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

কোরবানির পশুর হাটের আয়ে টিকে আছে ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব রহমতগঞ্জ

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির ফুটবল কার্যক্রম ও ক্লাবের অস্তিত্ব টিকে আছে কোরবানির পশুর হাটের আয়ের ওপর ভিত্তি করে। ১৯৬৬ সাল থেকে ক্লাবটির নিজস্ব মাঠে প্রতি বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট বসে। সেই হাটের ইজারা থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়েই ক্লাবটি দেশের শীর্ষ ফুটবল লিগে নিয়মিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে আসছে।

ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতি মৌসুমে একটি শক্তিশালী ফুটবল দল গড়তে প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকার প্রয়োজন হয়। এই বাজেটের একটি বড় অংশ আসে হাটের ইজারা থেকে। এছাড়া মাঠের আশপাশের দোকান ও স্থানীয়দের অনুদানও ক্লাবের তহবিলে সহায়তা করে। যদিও হাটের প্রস্তুতির কারণে কয়েকদিন ফুটবল অনুশীলন বন্ধ রাখতে হয়, তবুও ক্লাবের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য এটি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

খেলোয়াড়দের ভাষ্যমতে, নিজস্ব মাঠে অনুশীলন করতে না পারা কিছুটা অসুবিধাজনক হলেও ক্লাবটি নিয়মিত পারিশ্রমিক পরিশোধ করে বলে তারা এই পরিস্থিতি মেনে নিয়েছেন। হাটের সময় ফুটবলাররা বিকল্প হিসেবে বাফুফের টার্ফ কিংবা অন্য মাঠে অনুশীলন চালিয়ে যান। মূলত এই দীর্ঘমেয়াদী ঐতিহ্যের কারণেই ক্লাবটি আজও পেশাদার ফুটবল অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

কোরবানির পশুর হাটের আয়ে টিকে আছে ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব রহমতগঞ্জ

আপডেট সময় : ০১:৩১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রহমতগঞ্জ মুসলিম ফ্রেন্ডস সোসাইটির ফুটবল কার্যক্রম ও ক্লাবের অস্তিত্ব টিকে আছে কোরবানির পশুর হাটের আয়ের ওপর ভিত্তি করে। ১৯৬৬ সাল থেকে ক্লাবটির নিজস্ব মাঠে প্রতি বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট বসে। সেই হাটের ইজারা থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়েই ক্লাবটি দেশের শীর্ষ ফুটবল লিগে নিয়মিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে আসছে।

ক্লাব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতি মৌসুমে একটি শক্তিশালী ফুটবল দল গড়তে প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকার প্রয়োজন হয়। এই বাজেটের একটি বড় অংশ আসে হাটের ইজারা থেকে। এছাড়া মাঠের আশপাশের দোকান ও স্থানীয়দের অনুদানও ক্লাবের তহবিলে সহায়তা করে। যদিও হাটের প্রস্তুতির কারণে কয়েকদিন ফুটবল অনুশীলন বন্ধ রাখতে হয়, তবুও ক্লাবের আর্থিক সচ্ছলতার জন্য এটি অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

খেলোয়াড়দের ভাষ্যমতে, নিজস্ব মাঠে অনুশীলন করতে না পারা কিছুটা অসুবিধাজনক হলেও ক্লাবটি নিয়মিত পারিশ্রমিক পরিশোধ করে বলে তারা এই পরিস্থিতি মেনে নিয়েছেন। হাটের সময় ফুটবলাররা বিকল্প হিসেবে বাফুফের টার্ফ কিংবা অন্য মাঠে অনুশীলন চালিয়ে যান। মূলত এই দীর্ঘমেয়াদী ঐতিহ্যের কারণেই ক্লাবটি আজও পেশাদার ফুটবল অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছে।