ফেডারেশন কাপের ফাইনাল নিয়ে নাটক কম হয়নি। শেষ পর্যন্ত ফাইনাল হয়েছে ফাইনালের মতোই রোমাঞ্চকর। দুই পেনাল্টি ও ৫ গোলের জমজমাট লড়াইয়ে মোহামেডানকে হারিয়ে বসুন্ধরা কিংস হ্যাটট্রিক শিরোপা ঘরে তুলেছে।
চ্যালেঞ্জ ট্রফি ও বাংলাদেশ ফুটবল লিগের পর ফেডারেশন কাপেও রাকিব-ফাহিমরা ট্রফি জিতে সবাইকে চমকে দিয়েছে। ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার দোরিয়েলতনের হ্যাটট্রিকে তারা মোহামেডানকে হারিয়েছে ৩-২ গোলে।
গতকাল বুধবার কিংস অ্যারেনাতে ম্যাচের শুরুতে মোহামেডান এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি জিততে পারেনি। খেলা হয়েছে আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ নির্ভর। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই সাদা-কালোরা এগিয়ে যায়। মোজাফফরভের ফ্রি কিক থেকে গোলে লিড নেয় মোহামেডান। বক্সের একটু সামনে থেকে টপ কর্নার দিয়ে এই মিডফিল্ডার গোল করে উদযাপন করেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর মতো করে।
তবে মোহামেডানের এই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। পরের মিনিটেই বল দেওয়া-নেওয়া করে মোহামেডানের বক্সে ঢুকে পড়েন স্যামুয়েল রাকসাম ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। স্যামুয়েল শট নিলে ঠেকিয়ে দেন গোলকিপার সুজন। তবে ফিরতি শট নেওয়ার সময় রাকসামকে পেছন থেকে ফাউল করে বসেন শাকিল আহাদ তপু। পেনাল্টির বাঁশি বেজে উঠে। এরপর সফল স্পট কিকে দলকে ১-১ সমতায় ফেরান দোরিয়েলতন। খানিক পরই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ আসে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সামনে।
১২ মিনিটে রাকিব মোহামেডানের বক্সে ঢুকে পড়েন ডানপ্রান্ত দিয়ে। জাতীয় দলের এই ফরোয়ার্ডের ক্রস কর্নার করে দেন জাহিদ শান্ত। শর্ট কর্নার থেকে রাকিব বল জালে ঠেলে দিলেও হ্যান্ডবলের কারণে গোল মেলেনি। দুই মিনিট পর সোহেল রানার কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে গোলে শট নেন মোজাফফরভ। যদিও বল বেরিয়ে যায় বাম পাশের পোস্ট ঘেঁষে।
২২ মিনিটে আরিফের পাসে বল নেওয়ার সময় সাইফুলকে নিজেদের এরিয়ায় ফেলে দেন কিংসের অধিনায়ক তপু। রেফারির বাঁশি বাজার পর পেনাল্টি নিতে আসা মোজাফফরভকে ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে আটকে দেন শ্রাবণ। এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ হাতছাড়া হয় মোহামেডানের।
পেনাল্টি মিসের পর হতাশায় না ডুবে হাই-প্রেসিং ফুটবলে কিংসকে আরও চেপে ধরে মোহামেডান। ফেডারেশন কাপে নিজের সপ্তম গোলে সৌরভ দেওয়ান ৩৫ মিনিটে মোহামেডানকে আবারও এগিয়ে দেন। আক্রমণের শুরু নিজেদের অর্ধ থেকে এলি কেকের একটি লং বল থেকে। যেটা কিংসের ডান কর্নারের কাছে মাটিতে নামান জাহিদ শান্ত। তাঁর কাটব্যাকে মোজাফফরভের শট ফিরে এলে সেই শান্তর আরেকটি নিচু ক্রসে গোলমুখের সামনে দারুণভাবে প্লেস করেন সৌরভ।
রিপোর্টারের নাম 

























