ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের আসর বসছে উত্তর আমেরিকায়: জেনে নিন ১৬টি ভেন্যু

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার ১৬টি স্টেডিয়ামে। এই আসর কেবল মাঠের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ইতিহাস, স্থাপত্য এবং আবেগের এক অনন্য মিশ্রণ উপহার দেবে। পেলের ব্রাজিল ও ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার স্মৃতিবিজড়িত আজতেকা স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক সোফি স্টেডিয়াম—প্রতিটি ভেন্যুই নিজস্ব গল্প নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের এই শ্রেষ্ঠ আসরের জন্য।

যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি, মেক্সিকোর ৩টি এবং কানাডার ২টি—মোট ১৬টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ। অনেক স্টেডিয়াম যা মূলত আমেরিকান ফুটবলের জন্য পরিচিত, সেগুলোই এবার বিশ্ব ফুটবলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

কানাডার দুটি ভেন্যুর একটি হলো বিএমও ফিল্ড, যা বিশ্বকাপের অল্প কয়েকটি স্টেডিয়ামের মধ্যে অন্যতম এবং এটি কেবল ফুটবলের জন্যই নির্মিত। ২০০৭ সালে ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এটি মেজর লিগ সকারের ক্লাব টরন্টো এফসির হোম গ্রাউন্ড। এখানে মোট ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে পাঁচটি গ্রুপ পর্বের এবং একটি শেষ ৩২-এর ম্যাচ। ১২ জুন বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে কানাডার উদ্বোধনী ম্যাচও এই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্য ভেন্যু বিসি প্লেস, যা ১৯৮৩ সালে উদ্বোধন হওয়া ভ্যাঙ্কুভারের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। জলরাশির পাশ ঘেঁষে থাকা এই স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ভেন্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি এমএলএস ক্লাব ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস এবং কানাডিয়ান ফুটবল লিগের দল বিসি লায়ন্সের দীর্ঘদিনের হোম ভেন্যু। ২০১৫ নারী বিশ্বকাপের ফাইনালও এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই স্টেডিয়ামে সাতটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে দুটি নকআউট ম্যাচ রয়েছে।

মেক্সিকো সিটি-র এস্তাদিও আজতেকা বিশ্ব ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক স্টেডিয়াম। ১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের পর এখানে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হতে যাচ্ছে, যা একটি রেকর্ড। যদিও এটি আজতেকা স্টেডিয়াম নামে পরিচিত, এর বর্তমান নাম এস্তাদিও বানোর্তে। ১৯৬৬ সালে উদ্বোধনের পর ১৯৭০ বিশ্বকাপের মূল কেন্দ্র ছিল এই স্টেডিয়াম, যেখানে পেলের ব্রাজিল শিরোপা জিতেছিল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও এটি আলোচনায় আসে, যখন ডিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়। ১১ জুন দক্ষিণ আ…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

বিশ্বকাপের আসর বসছে উত্তর আমেরিকায়: জেনে নিন ১৬টি ভেন্যু

আপডেট সময় : ০২:১৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার ১৬টি স্টেডিয়ামে। এই আসর কেবল মাঠের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং ইতিহাস, স্থাপত্য এবং আবেগের এক অনন্য মিশ্রণ উপহার দেবে। পেলের ব্রাজিল ও ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার স্মৃতিবিজড়িত আজতেকা স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক সোফি স্টেডিয়াম—প্রতিটি ভেন্যুই নিজস্ব গল্প নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের এই শ্রেষ্ঠ আসরের জন্য।

যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি, মেক্সিকোর ৩টি এবং কানাডার ২টি—মোট ১৬টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে এই বিশ্বকাপ। অনেক স্টেডিয়াম যা মূলত আমেরিকান ফুটবলের জন্য পরিচিত, সেগুলোই এবার বিশ্ব ফুটবলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে।

কানাডার দুটি ভেন্যুর একটি হলো বিএমও ফিল্ড, যা বিশ্বকাপের অল্প কয়েকটি স্টেডিয়ামের মধ্যে অন্যতম এবং এটি কেবল ফুটবলের জন্যই নির্মিত। ২০০৭ সালে ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের মধ্য দিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে এটি মেজর লিগ সকারের ক্লাব টরন্টো এফসির হোম গ্রাউন্ড। এখানে মোট ছয়টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে পাঁচটি গ্রুপ পর্বের এবং একটি শেষ ৩২-এর ম্যাচ। ১২ জুন বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিপক্ষে কানাডার উদ্বোধনী ম্যাচও এই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্য ভেন্যু বিসি প্লেস, যা ১৯৮৩ সালে উদ্বোধন হওয়া ভ্যাঙ্কুভারের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। জলরাশির পাশ ঘেঁষে থাকা এই স্টেডিয়ামটি বিশ্বকাপের অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ভেন্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি এমএলএস ক্লাব ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপস এবং কানাডিয়ান ফুটবল লিগের দল বিসি লায়ন্সের দীর্ঘদিনের হোম ভেন্যু। ২০১৫ নারী বিশ্বকাপের ফাইনালও এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই স্টেডিয়ামে সাতটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যার মধ্যে দুটি নকআউট ম্যাচ রয়েছে।

মেক্সিকো সিটি-র এস্তাদিও আজতেকা বিশ্ব ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক স্টেডিয়াম। ১৯৭০ ও ১৯৮৬ সালের পর এখানে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হতে যাচ্ছে, যা একটি রেকর্ড। যদিও এটি আজতেকা স্টেডিয়াম নামে পরিচিত, এর বর্তমান নাম এস্তাদিও বানোর্তে। ১৯৬৬ সালে উদ্বোধনের পর ১৯৭০ বিশ্বকাপের মূল কেন্দ্র ছিল এই স্টেডিয়াম, যেখানে পেলের ব্রাজিল শিরোপা জিতেছিল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপেও এটি আলোচনায় আসে, যখন ডিয়েগো ম্যারাডোনার নেতৃত্বে আর্জেন্টিনা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়। ১১ জুন দক্ষিণ আ…