দুই দশকের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারেও টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি বিন্দুমাত্র টান কমেনি মুশফিকুর রহিমের। সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে তিনি আবেগী কণ্ঠে জানান, প্রতিটি ম্যাচকেই তিনি ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ মনে করে মাঠে নামেন। ক্রিকেটের প্রতি এই গভীর অনুরাগই তাকে প্রতিদিন কঠোর অনুশীলনে উদ্বুদ্ধ করে এবং অন্যদের চেয়ে আলাদা করে রাখে।
মুশফিক বিশ্বাস করেন, একজন অ্যাথলেটের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো শৃঙ্খলা ও কাজের প্রতি একাগ্রতা। তিনি কেবল নিজের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, বরং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি পেশাদার ক্রিকেট সংস্কৃতি রেখে যেতে চান। দলের বর্তমান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, শান্তর ইতিবাচক মানসিকতা ও সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা দলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছে।
অবসরের বিষয়ে এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না জানালেও মুশফিক স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি ভালো ফর্মে থেকেই বিদায় নিতে চান। তবে বিদায়ের আগে বাংলাদেশকে আরও কিছু স্মরণীয় টেস্ট জয় উপহার দেওয়াই তার বর্তমান লক্ষ্য। দলের তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয়ে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























