ঢাকা ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়

বিশ্বকাপ থিম সং এর যাত্রা ১৯৯০–২০২২

বিশ্বকাপেরে থিম সং শুধু গান নয়, এটি ফুটবলের আবেগ, সংস্কৃতি এবং বিশ্বজনীন ঐক্যের প্রতীক। বিশ্বকাপের থিম সং প্রতিটি আসরের আগে দর্শকদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা তৈরি করে এবং টুর্নামেন্টকে আরও রঙিন করে তোলে।  ১৯৯০ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপের থিম সং ফুটবল ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।  সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি, শিল্পী এবং সংগীতের ধরণ বদলালেও এই গানগুলো মানুষের আবেগে একইভাবে নাড়া দিচ্ছে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
পপতারকা শাকিরা, ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ থিম সং এর শুরু ও ঐতিহ্য

ফুটবল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান বা থিম সং শুরু হয় ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপ থেকে।  তবে, বিশ্বকাপ থিম সং জনপ্রিয়তা পায় ১৯৯০ সালের পর থেকে।  প্রতিটি থিম সং বিশ্বকাপের আগে রিলিজ হয়।  বিশ্বজুড়ে থাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই গানগুলো শুধু খেলাকে নয়, সংস্কৃতি ও ঐক্যকেও তুলে ধরে।

১৯৯০ বিশ্বকাপ থিম সং–উন এস্তাতে ইতালিয়ানা”

১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপে “উন এস্তাতে ইতালিয়ানা” গানটি ফুটবল ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান দখল করে নেয়।  এই গানটি পরিবেশন করেন জিয়ান্না নান্নিনি এবং এদোয়ার্দো বেন্নাতো।  গানটি সেই সময়ের ফুটবল উন্মাদনাকে আরও গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলে। স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শক সবাই এই গানের সুরে মেতে ওঠে।  আবেগ, উত্তেজনা আর ফুটবলের আনন্দ একসাথে মিশে যায় এই সংগীতে।  অনেক ফুটবলপ্রেমীর মতে, এটি এখনো সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ থিম সংগুলোর একটি। 

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

১৯৯৪ বিশ্বকাপ থিম সং–“গ্লোরিল্যান্ড

১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে “গ্লোরিল্যান্ড” গানটি ব্যাপক আলোচনায় আসে। গানটি পরিবেশন করেন ড্যারিল হল। এই গানের বিশেষত্ব ছিল এর সুর ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার।  বিশেষ করে স্যাক্সোফোনের মেলোডি গানটিকে অন্য সব বিশ্বকাপের থিম সং থেকে আলাদা করে তোলে।  এতে যুক্তরাষ্ট্রের সংগীতধারা ও ফুটবলের উচ্ছ্বাস সুন্দরভাবে মিলিয়ে দেওয়া হয়।  গানটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে। ফলে এটি শুধু একটি থিম সং নয়, বরং বৈশ্বিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।

১৯৯৮ বিশ্বকাপ থিম সং–”কোপা দে লা ভিদা

১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে “কোপা দে লা ভিদা” গানটি নতুন ইতিহাস তৈরি করে। গানটি পরিবেশন করেন রিকি মার্টিন। এই গানটি বিশ্বকাপ থিম সংয়ের ধরণই বদলে দেয়। বিশ্বকাপ সংগীতের কথা উঠলেই অনেকের আগে এই গানটির নাম মনে পড়ে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

গানের “গোল, গোল, গোল, আলে আলে আলে” অংশটি এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মুখে মুখে ঘোরে। এই পংক্তিটি স্টেডিয়ামের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছিল।  মুক্তির পরপরই গানটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যায় এবং বিভিন্ন দেশের সংগীত তালিকায় জায়গা করে নেয়।

২০০২ বিশ্বকাপ থিম সং– ‘অ্যান্থেম’ ও ‘বুম’

২০০২ সালের দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান বিশ্বকাপে প্রধান থিম সং ছিল যন্ত্রসংগীত নির্ভর “অ্যান্থেম”। তারকা ফুটবলারদের খেলার দৃশ্য দিয়ে তৈরি এই গান দর্শকদের মন জয় করে নেয়।

একই বিশ্বকাপে অ্যানাস্তাশিয়ার “বুম” গানটিও জনপ্রিয় হয়। এই গানটি দর্শকদের অনুপ্রেরণা দেয়, বিশেষ করে হাল না ছাড়ার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।

২০০৬ বিশ্বকাপ থিম সং–”দ্য টাইম অব আওয়ার লাইভস

২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে টনি ব্র্যাক্সটন এবং ইল ডিভোর কণ্ঠে “দ্য টাইম অব আওয়ার লাইভস” প্রকাশিত হয়। এটি ছিল আবেগঘন একটি গান, যা উদযাপন ও জীবনের আনন্দকে তুলে ধরে। একটি ফুটবল মাঠে ধারণ করা এর ভিডিও দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
পপতারকা শাকিরা, ছবি: সংগৃহীত

২০১০ বিশ্বকাপ থিম সং–”ওয়াকা ওয়াকা

২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে শাকিরার “ওয়াকা ওয়াকা” বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। গানটি স্টেডিয়াম, রাস্তা, ক্যাফে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। আফ্রিকান সুরের সঙ্গে আধুনিক সংগীতের মিশ্রণ এটিকে বিশেষ করে তোলে। রজার মিলা ও দিদিয়ের দ্রগবার মতো ফুটবল তারকারাও এতে অংশ নেন।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

২০১৪ বিশ্বকাপ থিম সং– ”লা লা লা

২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে শাকিরা আবারও “লা লা লা” গান নিয়ে আসেন। ব্রাজিলিয়ান সাম্বার আনন্দ এবং ফুটবলের উচ্ছ্বাস এই গানে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। একটি শিশু শিল্পীর সঙ্গে তার পরিবেশনা গানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

২০১৮ বিশ্বকাপ থিম সং– ”লিভ ইট আপ

২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে “লিভ ইট আপ” গানটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়। নিকি জ্যাম, ইরা ইসত্রেফি এবং ডিপলো এই গানে কণ্ঠ দেন। উইল স্মিথও এতে অংশ নেন। গানটি বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মিশ্রণে তৈরি হয়, যা আধুনিক বিশ্বকাপ সংগীতের নতুন ধারা তৈরি করে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

২০২২ বিশ্বকাপ থিম সং– ”হায়া হায়া

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে “হায়া হায়া (বেটার টুগেদার)” গানটি ব্যাপক প্রশংসা পায়। মধ্যপ্রাচ্যের সুর, আধুনিক বিট এবং আন্তর্জাতিক শিল্পীদের সমন্বয়ে এটি একটি ভিন্ন আবহ তৈরি করে। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার একাধিক অফিসিয়াল গান ব্যবহার করা হয়।

ফুটবল যেমন বিশ্বকে এক করে, তেমনি বিশ্বকাপের থিম সং বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও মানুষের আবেগকে এক সুতোয় বাঁধে।  ১৯৯৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রতিটি গানই ফুটবল ইতিহাসে আলাদা স্মৃতি তৈরি করেছে। ভবিষ্যতেও বিশ্বকাপগুলোতেও এই সংগীতধারা আরও নতুন রূপে দর্শকদের মুগ্ধ করবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

সুন্দরবনে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মধু সংগ্রহ: ১ হাজার কেজি মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়

আপডেট সময় : ০৪:১০:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

বিশ্বকাপ থিম সং এর যাত্রা ১৯৯০–২০২২

বিশ্বকাপেরে থিম সং শুধু গান নয়, এটি ফুটবলের আবেগ, সংস্কৃতি এবং বিশ্বজনীন ঐক্যের প্রতীক। বিশ্বকাপের থিম সং প্রতিটি আসরের আগে দর্শকদের মধ্যে নতুন উন্মাদনা তৈরি করে এবং টুর্নামেন্টকে আরও রঙিন করে তোলে।  ১৯৯০ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপের থিম সং ফুটবল ইতিহাসে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে।  সময়ের সঙ্গে প্রযুক্তি, শিল্পী এবং সংগীতের ধরণ বদলালেও এই গানগুলো মানুষের আবেগে একইভাবে নাড়া দিচ্ছে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
পপতারকা শাকিরা, ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ থিম সং এর শুরু ও ঐতিহ্য

ফুটবল বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান বা থিম সং শুরু হয় ১৯৬২ সালের চিলি বিশ্বকাপ থেকে।  তবে, বিশ্বকাপ থিম সং জনপ্রিয়তা পায় ১৯৯০ সালের পর থেকে।  প্রতিটি থিম সং বিশ্বকাপের আগে রিলিজ হয়।  বিশ্বজুড়ে থাকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই গানগুলো শুধু খেলাকে নয়, সংস্কৃতি ও ঐক্যকেও তুলে ধরে।

১৯৯০ বিশ্বকাপ থিম সং–উন এস্তাতে ইতালিয়ানা”

১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপে “উন এস্তাতে ইতালিয়ানা” গানটি ফুটবল ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান দখল করে নেয়।  এই গানটি পরিবেশন করেন জিয়ান্না নান্নিনি এবং এদোয়ার্দো বেন্নাতো।  গানটি সেই সময়ের ফুটবল উন্মাদনাকে আরও গভীরভাবে ফুটিয়ে তোলে। স্টেডিয়াম থেকে শুরু করে সাধারণ দর্শক সবাই এই গানের সুরে মেতে ওঠে।  আবেগ, উত্তেজনা আর ফুটবলের আনন্দ একসাথে মিশে যায় এই সংগীতে।  অনেক ফুটবলপ্রেমীর মতে, এটি এখনো সর্বকালের সেরা বিশ্বকাপ থিম সংগুলোর একটি। 

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

১৯৯৪ বিশ্বকাপ থিম সং–“গ্লোরিল্যান্ড

১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে “গ্লোরিল্যান্ড” গানটি ব্যাপক আলোচনায় আসে। গানটি পরিবেশন করেন ড্যারিল হল। এই গানের বিশেষত্ব ছিল এর সুর ও বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার।  বিশেষ করে স্যাক্সোফোনের মেলোডি গানটিকে অন্য সব বিশ্বকাপের থিম সং থেকে আলাদা করে তোলে।  এতে যুক্তরাষ্ট্রের সংগীতধারা ও ফুটবলের উচ্ছ্বাস সুন্দরভাবে মিলিয়ে দেওয়া হয়।  গানটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যকে তুলে ধরে। ফলে এটি শুধু একটি থিম সং নয়, বরং বৈশ্বিক ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হয়।

১৯৯৮ বিশ্বকাপ থিম সং–”কোপা দে লা ভিদা

১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপে “কোপা দে লা ভিদা” গানটি নতুন ইতিহাস তৈরি করে। গানটি পরিবেশন করেন রিকি মার্টিন। এই গানটি বিশ্বকাপ থিম সংয়ের ধরণই বদলে দেয়। বিশ্বকাপ সংগীতের কথা উঠলেই অনেকের আগে এই গানটির নাম মনে পড়ে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

গানের “গোল, গোল, গোল, আলে আলে আলে” অংশটি এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মুখে মুখে ঘোরে। এই পংক্তিটি স্টেডিয়ামের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছিল।  মুক্তির পরপরই গানটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে যায় এবং বিভিন্ন দেশের সংগীত তালিকায় জায়গা করে নেয়।

২০০২ বিশ্বকাপ থিম সং– ‘অ্যান্থেম’ ও ‘বুম’

২০০২ সালের দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান বিশ্বকাপে প্রধান থিম সং ছিল যন্ত্রসংগীত নির্ভর “অ্যান্থেম”। তারকা ফুটবলারদের খেলার দৃশ্য দিয়ে তৈরি এই গান দর্শকদের মন জয় করে নেয়।

একই বিশ্বকাপে অ্যানাস্তাশিয়ার “বুম” গানটিও জনপ্রিয় হয়। এই গানটি দর্শকদের অনুপ্রেরণা দেয়, বিশেষ করে হাল না ছাড়ার বার্তা ছড়িয়ে দেয়।

২০০৬ বিশ্বকাপ থিম সং–”দ্য টাইম অব আওয়ার লাইভস

২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে টনি ব্র্যাক্সটন এবং ইল ডিভোর কণ্ঠে “দ্য টাইম অব আওয়ার লাইভস” প্রকাশিত হয়। এটি ছিল আবেগঘন একটি গান, যা উদযাপন ও জীবনের আনন্দকে তুলে ধরে। একটি ফুটবল মাঠে ধারণ করা এর ভিডিও দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
পপতারকা শাকিরা, ছবি: সংগৃহীত

২০১০ বিশ্বকাপ থিম সং–”ওয়াকা ওয়াকা

২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে শাকিরার “ওয়াকা ওয়াকা” বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। গানটি স্টেডিয়াম, রাস্তা, ক্যাফে সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। আফ্রিকান সুরের সঙ্গে আধুনিক সংগীতের মিশ্রণ এটিকে বিশেষ করে তোলে। রজার মিলা ও দিদিয়ের দ্রগবার মতো ফুটবল তারকারাও এতে অংশ নেন।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

২০১৪ বিশ্বকাপ থিম সং– ”লা লা লা

২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে শাকিরা আবারও “লা লা লা” গান নিয়ে আসেন। ব্রাজিলিয়ান সাম্বার আনন্দ এবং ফুটবলের উচ্ছ্বাস এই গানে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। একটি শিশু শিল্পীর সঙ্গে তার পরিবেশনা গানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

২০১৮ বিশ্বকাপ থিম সং– ”লিভ ইট আপ

২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে “লিভ ইট আপ” গানটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়। নিকি জ্যাম, ইরা ইসত্রেফি এবং ডিপলো এই গানে কণ্ঠ দেন। উইল স্মিথও এতে অংশ নেন। গানটি বিভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতির মিশ্রণে তৈরি হয়, যা আধুনিক বিশ্বকাপ সংগীতের নতুন ধারা তৈরি করে।

বিশ্বকাপের থিম সং এর স্মৃতিময় অধ্যায়
ছবি: সংগৃহীত

২০২২ বিশ্বকাপ থিম সং– ”হায়া হায়া

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে “হায়া হায়া (বেটার টুগেদার)” গানটি ব্যাপক প্রশংসা পায়। মধ্যপ্রাচ্যের সুর, আধুনিক বিট এবং আন্তর্জাতিক শিল্পীদের সমন্বয়ে এটি একটি ভিন্ন আবহ তৈরি করে। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার একাধিক অফিসিয়াল গান ব্যবহার করা হয়।

ফুটবল যেমন বিশ্বকে এক করে, তেমনি বিশ্বকাপের থিম সং বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও মানুষের আবেগকে এক সুতোয় বাঁধে।  ১৯৯৮ থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রতিটি গানই ফুটবল ইতিহাসে আলাদা স্মৃতি তৈরি করেছে। ভবিষ্যতেও বিশ্বকাপগুলোতেও এই সংগীতধারা আরও নতুন রূপে দর্শকদের মুগ্ধ করবে।