নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া ঝাঞ্জাইল রেল স্টেশন থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, ১০৮ বছর পুরনো এই স্টেশনটির উন্নয়ন যেন সেই সময়েই থেমে আছে। তবে, নতুন সরকারের রেল প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় এই দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থার অবসান ঘটবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন।
ডেপুটি স্পিকার আরও জানান, গত নির্বাচনে এই অঞ্চলের মানুষের কাছে বিদ্যমান রেললাইনের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এলাকার মানুষ এর সুফল পাবেন। এটি দুর্গাপুর অঞ্চলের পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে একটি সময়োপযোগী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই রেললাইন নির্মিত হলে সীমান্তবর্তী ও দুর্গম অঞ্চলের জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জনগণের দোরগোড়ায় উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলসমূহকে আধুনিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে রেলপথ সম্প্রসারণে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং নেত্রকোণার এই সম্ভাবনাময় অঞ্চলেও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেন, এই অঞ্চলের গর্বিত সন্তান ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি জারিয়া স্টেশন থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছেন এবং তা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। লাইনটি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ফিজিবিলিটি স্টাডি এবং ভূমি অধিগ্রহণের কাজ বর্তমানে চলছে। মতবিনিময় সভায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি, বণিক সমিতির সভাপতি, উপজেলা জামায়াতের আমীর, উপজেলা বিএনপি সভাপতিসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 




















