ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নারী ফুটবল দলের উন্নয়নে বাফুফের সঙ্গী হলো ‘গ্লো অ্যান্ড লাভলি’

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অগ্রযাত্রায় যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। দলটির অফিশিয়াল ‘ট্রেনিং অ্যান্ড গ্রোথ পার্টনার’ হিসেবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে জনপ্রিয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড গ্লো অ্যান্ড লাভলি। আগামী দুই বছর ব্র্যান্ডটি জাতীয় নারী ফুটবল দলের প্রশিক্ষণ ও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করবে।

রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাফুফের প্রতিনিধি এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি, গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগম ও মিডফিল্ডার উমেলা মারমা অংশ নেন। এই অংশীদারত্বের আওতায় বাফুফের নির্ধারিত যোগাযোগ মাধ্যম এবং খেলোয়াড়দের ট্রেনিং কিটে ব্র্যান্ডটির লোগো ব্যবহৃত হবে।

টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী নারী ফুটবলারদের এই নতুন পথচলা দেশের ফুটবলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এমন কর্পোরেট সহযোগিতা নারী খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

নারী ফুটবল দলের উন্নয়নে বাফুফের সঙ্গী হলো ‘গ্লো অ্যান্ড লাভলি’

আপডেট সময় : ০৫:৪৯:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অগ্রযাত্রায় যুক্ত হলো নতুন এক অধ্যায়। দলটির অফিশিয়াল ‘ট্রেনিং অ্যান্ড গ্রোথ পার্টনার’ হিসেবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে জনপ্রিয় স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড গ্লো অ্যান্ড লাভলি। আগামী দুই বছর ব্র্যান্ডটি জাতীয় নারী ফুটবল দলের প্রশিক্ষণ ও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করবে।

রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাফুফের প্রতিনিধি এবং ইউনিলিভার বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি, গোলরক্ষক ইয়ারজান বেগম ও মিডফিল্ডার উমেলা মারমা অংশ নেন। এই অংশীদারত্বের আওতায় বাফুফের নির্ধারিত যোগাযোগ মাধ্যম এবং খেলোয়াড়দের ট্রেনিং কিটে ব্র্যান্ডটির লোগো ব্যবহৃত হবে।

টানা দুইবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী নারী ফুটবলারদের এই নতুন পথচলা দেশের ফুটবলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এমন কর্পোরেট সহযোগিতা নারী খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।