কুড়িগ্রাম সদরের আরাজি পলাশবাড়ি মৌজায় প্রায় ৭২ একর সরকারি খাস জমি বেহাত হওয়ার উপক্রম হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফুল ইসলাম জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে অসাধু চক্রের সহায়তায় গুচ্ছগ্রামের বন্দোবস্তকৃত খাস জমি ব্যক্তিমালিকানায় নামজারি (খারিজ) করে দিচ্ছেন। এতে গুচ্ছগ্রামের শতাধিক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার উচ্ছেদের ঝুঁকিতে পড়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা ছিল যে, আরএস রেকর্ড সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত ওই মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জমির সরকারি ভূমি উন্নয়ন করসহ সকল কার্যক্রম এসএ রেকর্ড অনুযায়ী চলমান রাখতে হবে। কিন্তু এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও সার্ভেয়ারের যোগসাজশে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে এই সরকারি নির্দেশনা লঙ্ঘন করছেন। ১৯৮৯ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের আওতায় অসহায় পরিবার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসিত করা হয়েছিল, যা এখন ভূমিদস্যুদের চক্রান্তে হুমকির মুখে পড়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























