নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার দেওভোগে পুলিশের সাবেক এক সদস্যের বাড়িতে লুটপাটের ঘটনায় পাঁচ জনকে আটক করেছিল পুলিশ। তবে, অভিযুক্তদের সহযোগীরা পুলিশের হাত থেকে আটকদের ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। বুধবার (৬ মে) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পশ্চিম দেওভোগের হাশেম
এই ঘটনার একটি ভিডিও সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, সোলেমানের বাড়ি থেকে লুট করা মালামাল ভ্যানগাড়িতে তোলা হচ্ছিল। এসব মালামাল তোলার সময় পাঁচ জনকে আটক করে পুলিশ। এদের মধ্যে দুজনকে হাতকড়া পরানো হয়। বাকিরা পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় একজন ব্যক্তি আটককৃতদের প্রশ্ন করেন, ‘তোমাদের এসব মালামাল নিতে বলেছে কে?’ উত্তরে আটক এক ব্যক্তি জানান, ‘আজাদ ও জনি ভাই আমাদের পাঠিয়েছে। টাকার বিনিময়ে আমরা কাজ করতে এসেছি। ভ্যানগাড়িতে মালামাল উঠিয়ে দিতে বলেছে আমাদের।’
সাবেক পুলিশ সদস্য মো. সোলেমান জানান, প্রায় দুই মাস আগে তিনি গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরে বেড়াতে যান। এই সুযোগে বাড়ি ফাঁকা পেয়ে একদল ডাকাত বাড়ির তালা ভেঙে মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। টিভি, ফ্রিজসহ ঘরের সব আসবাবপত্র নিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় তিনি মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মো. হাসিনুজ্জামান বলেন, ‘অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ কনস্টেবলের বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে লুটপাটে জড়িত পাঁচ জনকে আটক করা হয়। এ সময় দুজনকে হাতকড়া পরানো হয়। পরবর্তীতে তাদের সহযোগীরা জড়ো হয়ে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে এবং হামলা চালিয়ে আটকদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়। তবে, এই ঘটনায় পুলিশের কোনো সদস্য আহত হননি। কারা লুটপাটে জড়িত এবং কারা হামলা করেছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের অবশ্যই গ্রেফতার করা হবে।’
আসামিদের ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতকড়া নিয়ে গেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে হাসিনুজ্জামান বলেন, ‘হাতকড়া নিয়ে যায়নি। হাতকড়া পুলিশের কাছেই রয়েছে। শুধু অভিযুক্তদের ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।’
রিপোর্টারের নাম 
























