ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি জাতিসংঘে

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার দাবিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর যৌথ উদ্যোগে আনা এই প্রস্তাবে ইরানকে অবিলম্বে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং তথাকথিত ‘অবৈধ টোল’ আদায় বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, অবাধ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে সমুদ্রে বসানো মাইনগুলোর অবস্থানও ইরানকে স্পষ্ট করতে হবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চলমান উত্তেজনার জেরে ইরান এই জলপথটি বন্ধ করে রাখায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যদিও উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে, তবুও তেহরান জলপথটি খুলে দেয়নি। নতুন এই প্রস্তাবটি জাতিসংঘ সনদের সপ্তম অধ্যায়ের অধীনে প্রণয়ন করা হয়েছে, যার ফলে এটি পাস হলে ইরান তা অমান্য করলে তাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। মার্কিন প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা এই প্রস্তাবে সমর্থন দেবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ ফুটবলে আত্মঘাতী গোলের নতুন বিশ্বরেকর্ড

হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুমকি জাতিসংঘে

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার দাবিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর যৌথ উদ্যোগে আনা এই প্রস্তাবে ইরানকে অবিলম্বে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং তথাকথিত ‘অবৈধ টোল’ আদায় বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, অবাধ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করতে সমুদ্রে বসানো মাইনগুলোর অবস্থানও ইরানকে স্পষ্ট করতে হবে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চলমান উত্তেজনার জেরে ইরান এই জলপথটি বন্ধ করে রাখায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যদিও উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলছে, তবুও তেহরান জলপথটি খুলে দেয়নি। নতুন এই প্রস্তাবটি জাতিসংঘ সনদের সপ্তম অধ্যায়ের অধীনে প্রণয়ন করা হয়েছে, যার ফলে এটি পাস হলে ইরান তা অমান্য করলে তাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা বা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। মার্কিন প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা এই প্রস্তাবে সমর্থন দেবেন।