ঢাকা ০৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

যুদ্ধ বন্ধ ও পরমাণু ইস্যুতে ঐতিহাসিক চুক্তির দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, একটি ‘এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক’ বা এমওইউ সইয়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত হতে পারে। এই চুক্তির আওতায় ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করার প্রতিশ্রুতি দেবে এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর থেকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দকৃত তহবিল ছেড়ে দেবে।

চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশ হরমুজ প্রণালিতে যাতায়াতের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে সম্মত হয়েছে। হোয়াইট হাউজের সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যেতে পারে। যদি এই সমঝোতা সফল হয়, তবে ইসলামাবাদ বা জেনেভায় বিস্তারিত আলোচনার জন্য ৩০ দিনের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূতেরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী: শর্ত না মানলে বন্ধ থাকবে

যুদ্ধ বন্ধ ও পরমাণু ইস্যুতে ঐতিহাসিক চুক্তির দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান

আপডেট সময় : ০৬:২০:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনতে একটি সমঝোতা স্মারক সইয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসন মনে করছে, একটি ‘এক পৃষ্ঠার সমঝোতা স্মারক’ বা এমওইউ সইয়ের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমিত হতে পারে। এই চুক্তির আওতায় ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করার প্রতিশ্রুতি দেবে এবং বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর থেকে বিভিন্ন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দকৃত তহবিল ছেড়ে দেবে।

চুক্তি অনুযায়ী, উভয় দেশ হরমুজ প্রণালিতে যাতায়াতের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নিতে সম্মত হয়েছে। হোয়াইট হাউজের সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যেতে পারে। যদি এই সমঝোতা সফল হয়, তবে ইসলামাবাদ বা জেনেভায় বিস্তারিত আলোচনার জন্য ৩০ দিনের একটি সময়সীমা নির্ধারণ করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ দূতেরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন বলে জানা গেছে।