বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা প্রতি বছরই বাড়ছে। কানাডা, অস্ট্রেলিয়া কিংবা যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোতে পাড়ি জমাতে অনেক শিক্ষার্থী মাসের পর মাস প্রস্তুতি নেন। তবে সব প্রস্তুতি শেষে ভিসা পাওয়ার পরিবর্তে অনেকের কপালে জোটে রিজেকশন বা প্রত্যাখ্যানের চিঠি। ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থীর ভিসা আবেদন বাতিল হয়েছে, যা উচ্চশিক্ষা প্রত্যাশীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে দূতাবাসগুলোর কঠোর নজরদারি। অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার নাম করে বিদেশে গিয়ে কাজে জড়িয়ে পড়ছেন, যা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নজরে এসেছে। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া কাগজপত্র জমা দেওয়া এবং সঠিক প্রস্তুতির অভাবকেও দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। বর্তমানে দূতাবাসগুলো একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত উদ্দেশ্য যাচাইয়ে অনেক বেশি কড়াকড়ি করছে।
ভিসা রিজেক্ট হওয়ার অন্যতম বড় কারণ হলো আর্থিক নথিপত্রের অসংগতি। দূতাবাস নিশ্চিত হতে চায় যে, বিদেশে পড়াশোনার সম্পূর্ণ খরচ বহনের সক্ষমতা আবেদনকারীর আছে কি না। শুধু ব্যাংক ব্যালেন্স দেখালেই হবে না, সেই অর্থের বৈধ উৎস প্রমাণ করাও জরুরি। এছাড়া অন্যের লেখা বা ইন্টারনেট থেকে কপি করা এসওপি (Statement of Purpose) জমা দেওয়া আরেকটি বড় ভুল। এসওপি হতে হবে আবেদনকারীর নিজস্ব লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের প্রতিফলন, যা কপি করা নথিতে পাওয়া যায় না।
রিপোর্টারের নাম 























