ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু, উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আক্রান্ত

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে। এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে যে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ২৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে, হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর মধ্যে ৪৯ জন মারা গেছেন। এই পরিসংখ্যান রোগের তীব্রতা এবং জনস্বাস্থ্যের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।

গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের লক্ষণ দেখা গেছে ১ হাজার ১৭০ জনের শরীরে, এবং এদের মধ্যে ১১৫ জনের ক্ষেত্রে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়াও, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার ১০০ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ২২ হাজার ৬৫০ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এই বিপুল সংখ্যক আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুম ও নির্যাতনের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ পঞ্চম সাক্ষীর জবানবন্দি

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু, উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে আক্রান্ত

আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে। এই মৃত্যুর ঘটনাগুলো দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে যে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে মোট ২৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে, হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর মধ্যে ৪৯ জন মারা গেছেন। এই পরিসংখ্যান রোগের তীব্রতা এবং জনস্বাস্থ্যের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে।

গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হামের লক্ষণ দেখা গেছে ১ হাজার ১৭০ জনের শরীরে, এবং এদের মধ্যে ১১৫ জনের ক্ষেত্রে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়াও, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার ১০০ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ২২ হাজার ৬৫০ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এই বিপুল সংখ্যক আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঘটনা স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।