মৌলভীবাজারের লংলা চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জীবন যেন এক অন্তহীন সংগ্রামের নাম। পঞ্চাশোর্ধ্ব মালতি ভর থেকে শুরু করে তরুণী শুভদ্রা নাইডু—সবারই দিন কাটে বাগানে পাতা তুলে আর ঘরে ফিরে গৃহস্থালির কঠোর শ্রমে। কিন্তু দীর্ঘদিনের হাড়ভাঙা খাটুনির পরও তাদের ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি। নামমাত্র মজুরিতে সংসার চালানো দায়, তার ওপর জরাজীর্ণ বসতবাড়ি আর নূন্যতম নাগরিক সুবিধার অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।
চা বাগানগুলোতে নারী শ্রমিকের সংখ্যা প্রায় ৭০ শতাংশ হলেও তারা প্রতিনিয়ত অবহেলার শিকার। মাতৃত্বকালীন ছুটি, চিকিৎসা সেবা, সুপেয় পানি কিংবা স্যানিটেশন—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের মতে, চা শিল্পের প্রাণশক্তি এই নারীরা অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে এখনো অনেক পিছিয়ে। মে দিবসের মতো বিশেষ দিনগুলোতে অনেক আশার বাণী শোনানো হলেও, কাজের কাজ কিছুই হয় না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শ্রমিকরা।
রিপোর্টারের নাম 
























