ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, দেশটির প্রায় ৫০ কোটি ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ সম্প্রতি এবং অবশিষ্ট অর্থ আগে জব্দ করা হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে থাকা ইরানের অ্যাকাউন্টগুলোও ফ্রিজ করার প্রক্রিয়া চলছে।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশিত অর্থনৈতিক অবরোধের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, যাতে তারা ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। বিশেষ করে ইরানি তেল আমদানিকারকদের ওপর ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’ বা কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে ইরান এই পদক্ষেপকে গুরুত্ব দিচ্ছে না এবং একে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ানোর একটি কৌশল হিসেবে দেখছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মতপার্থক্য থাকলেও দলের ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান তারেক রহমানের

ইরানের প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১১:০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, দেশটির প্রায় ৫০ কোটি ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ সম্প্রতি এবং অবশিষ্ট অর্থ আগে জব্দ করা হয়েছে। ক্রিপ্টোকারেন্সির পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের ব্যাংকে থাকা ইরানের অ্যাকাউন্টগুলোও ফ্রিজ করার প্রক্রিয়া চলছে।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশিত অর্থনৈতিক অবরোধের অংশ হিসেবেই এই অভিযান চালানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন বিশ্বের অন্যান্য দেশ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, যাতে তারা ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। বিশেষ করে ইরানি তেল আমদানিকারকদের ওপর ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’ বা কঠোর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে ইরান এই পদক্ষেপকে গুরুত্ব দিচ্ছে না এবং একে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ানোর একটি কৌশল হিসেবে দেখছে।