প্রাচ্যের রাণী হিসেবে খ্যাত চট্টগ্রাম কেবল বাংলাদেশের প্রধান বন্দরনগরীই নয়, বরং এটি এশিয়ার অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক সমৃদ্ধ এক জনপদ। যুগে যুগে বিভিন্ন শাসনামলে এই নগরী ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত ছিল—কখনো চৈত্যগ্রাম, কখনো ইসলামাবাদ, আবার কখনো শাৎগাঙ। ইতিহাসবিদদের মতে, খ্রিষ্টপূর্ব দেড় হাজার বছর আগের জনবসতির প্রমাণ পাওয়া যায় এই অঞ্চলে। এমনকি পর্যটক স্ট্রাবোর বর্ণনা অনুযায়ী, খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকেই চট্টগ্রাম একটি আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দর হিসেবে সুপরিচিত ছিল।
ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, চট্টগ্রামের অনেক অঞ্চল প্রায় ১০ লাখ বছর আগের প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত হয়েছিল। সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে ১৮৮৬ সালে পাওয়া প্রাগৈতিহাসিক যুগের অশ্মীভূত কাঠের কৃপাণসহ নানা প্রত্ননিদর্শন প্রমাণ করে যে, এই জনপদ মানব সভ্যতার প্রাচীন ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মহাভারত থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাচীন গ্রন্থ ও শিলালিপিতে চট্টগ্রামের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক গুরুত্বের বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়, যা এই অঞ্চলের প্রাচীনত্বকে আরও মহিমান্বিত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























