কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে নতুন গতি এলেও ন্যায়বিচার নিয়ে শঙ্কা কাটছে না পরিবারটির। মামলার অন্যতম সন্দেহভাজনদের রিমান্ড ও ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ আসার পর তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অভিযোগ করেছেন, ঘটনার শুরুতে ময়নাতদন্তে জালিয়াতি করা হয়েছিল। তিনি সরাসরি তৎকালীন ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. কামদা প্রসাদ সাহার বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, বিতর্কিত এই চিকিৎসক বর্তমানে খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার হিসেবে কর্মরত আছেন এবং বিদেশ পালানোর পরিকল্পনা করছেন। তনুর পরিবারের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দেওয়ার পেছনে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অবিলম্বে ডা. কামদা প্রসাদ সাহার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হোক। অন্যথায় মামলার মূল রহস্য উন্মোচন বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
রিপোর্টারের নাম 

























