সমাজ গঠনে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন এবং ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক আমানত রক্ষার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, সকল কর্মে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।
শনিবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ আয়োজিত জেলা ও মহানগরী সেক্রেটারি এবং সহকারী সেক্রেটারি পর্যায়ের তিন দিনব্যাপী ‘শিক্ষাশিবির’ অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গাজীপুরের টঙ্গীতে তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত এই শিক্ষাশিবিরে শৃঙ্খলা, নৈতিক উন্নয়ন এবং সামাজিক নেতৃত্ব বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মহিলা বিভাগের কাজ আশাব্যঞ্জক এবং ৫ আগস্টের পর সংগঠন সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই অবস্থান ধরে রাখতে নিজেদের আরও বেশি যোগ্য ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগমের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই শিক্ষাশিবিরে সংগঠন পরিচালনায় দক্ষ সংগঠকের ভূমিকা নিয়ে বক্তব্য রাখেন মহিলা বিভাগীয় সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। তিনি বলেন, সংগঠন পরিচালনায় নেতৃত্বের ভূমিকা চালকের ন্যায় এবং উন্নত নৈতিকতা ও দক্ষ নেতৃত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে সংগঠনের গতিশীলতা বজায় রাখতে হবে।
এছাড়াও দারসুল কোরআন, দারসুল হাদিস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। শিবিরের প্রথম ও দ্বিতীয় অধিবেশনে দারসুল কোরআন পেশ করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. আব্দুস সামাদ। বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম। দারসুল হাদীস পেশ করেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি।
বক্তারা দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা অর্জন, ইসলামী নেতৃত্বের স্বরূপ এবং দায়িত্বশীলদের জবাবদিহিতার বিষয়ে আলোকপাত করেন। শিক্ষাশিবিরে ‘সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি ও সামাজিক নেতৃত্ব তৈরিতে করণীয়’ শীর্ষক একটি বিশেষ ওয়ার্কশপও অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিচালনা করেন নূরুন্নিসা সিদ্দীকা। এতে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য সাবিকুন্নাহার মুন্নী এবং নাজমুন নাহার নীলু উপস্থিত ছিলেন। শনিবার সকালে শিক্ষাশিবিরের পর্যালোচনা, বিভাগীয় কর্মপরিকল্পনা ও নির্দেশনার পর সহকারী সেক্রেটারি সাঈদা রুম্ বক্তব্য রাখেন।
রিপোর্টারের নাম 




















