প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি, ইলিশসহ দেশীয় পণ্যের স্বকীয়তা ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই লক্ষ্যে অনলাইন নিবন্ধন, দ্রুত সেবা প্রদান, আইনি সুরক্ষা জোরদার এবং নকল পণ্য প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
আগামীকাল রোববার ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস’ উপলক্ষে গণমাধ্যমে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রতি বছর ২৬ এপ্রিল বিশ্বজুড়ে ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস’ পালিত হয়। ২০০০ সাল থেকে বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থা (উইপো) দিবসটি উদযাপন শুরু করে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো পেটেন্ট, কপিরাইট, ট্রেডমার্ক এবং ডিজাইনসহ মেধাসম্পদের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা। ১৯৭০ সালের এই দিনে উইপো কনভেনশন কার্যকর হয়েছিল। এবারের মেধাস্বত্ব দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া: প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো’।
দিবসের বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে, যা দেশের দ্রুত অগ্রগতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি বলেন, এবারের প্রতিপাদ্যটি দেশের তরুণদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা যেকোনো নতুন ধারণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল কর্মপ্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করে। একই সঙ্গে ক্রীড়াপ্রযুক্তি, খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, সম্প্রচার শিল্প, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং উদ্যোক্তা বিকাশেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ তরুণ প্রজন্মের শক্তিতে সমৃদ্ধ। তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, গবেষণা, স্টার্টআপ এবং সৃজনশীল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের এই সময়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম পূর্বশর্ত। বর্তমান সরকার এই বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। তাই উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা ও সৃষ্টিশীল মানুষের মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে সরকার আধুনিক, সহজ ও কার্যকর সেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের এবারের প্রতিপাদ্যে যৌক্তিকভাবে ক্রীড়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
রিপোর্টারের নাম 

























