ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ায় স্ত্রী তালাক দেওয়ায় শরীরে আগুন দিয়ে স্বামীর আত্মহনন

বগুড়ার শাজাহানপুরে পারিবারিক কলহের জেরে নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন নজরুল ইসলাম (৫০) নামের এক ব্যক্তি। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের বারআঞ্জুল গ্রামের মাছির বাজার মসজিদের সামনে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নজরুল ইসলাম ওই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল। অভাব-অনটনের কারণে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এর আগে দুইবার তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হলেও পুনরায় তারা দাম্পত্য জীবন শুরু করেছিলেন। তবে সম্প্রতি স্ত্রী তাকে আবারও তালাক দিলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এরই জেরে শুক্রবার মসজিদের সামনে জনসম্মুখে নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন তিনি।

গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে ঢাকা নেওয়ার পথে রাত সোয়া ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক অশান্তি এবং ঋণের চাপে নজরুল ইসলাম চরম হতাশায় ভুগছিলেন, যার ফলে তিনি এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা: সরকার বদলেও একই বঞ্চনা, বলছেন সম্পাদক মাহমুদুর রহমান

বগুড়ায় স্ত্রী তালাক দেওয়ায় শরীরে আগুন দিয়ে স্বামীর আত্মহনন

আপডেট সময় : ০৪:২২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়ার শাজাহানপুরে পারিবারিক কলহের জেরে নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন নজরুল ইসলাম (৫০) নামের এক ব্যক্তি। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের বারআঞ্জুল গ্রামের মাছির বাজার মসজিদের সামনে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত নজরুল ইসলাম ওই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলামের সঙ্গে তার স্ত্রীর দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছিল। অভাব-অনটনের কারণে তাদের সংসারে প্রায়ই ঝগড়া হতো। এর আগে দুইবার তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হলেও পুনরায় তারা দাম্পত্য জীবন শুরু করেছিলেন। তবে সম্প্রতি স্ত্রী তাকে আবারও তালাক দিলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এরই জেরে শুক্রবার মসজিদের সামনে জনসম্মুখে নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন তিনি।

গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে ঢাকা নেওয়ার পথে রাত সোয়া ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক অশান্তি এবং ঋণের চাপে নজরুল ইসলাম চরম হতাশায় ভুগছিলেন, যার ফলে তিনি এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত নেন।