ঢাকা ০৭:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

রূপপুরে শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং: জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ আসার চূড়ান্ত ধাপ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে যাওয়ার পথ আরও সুগম হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে ‘ফুয়েল লোডিং’ বা পারমাণবিক জ্বালানি স্থাপনের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে প্রকল্পটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করল বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের শেষের দিকে প্রথম ইউনিটের ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন হতে পারে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ গ্রিডে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি লোডিংয়ের পর কারিগরি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে গ্রিডের সক্ষমতা এবং সঞ্চালন লাইনের কাজও পুরোপুরি সম্পন্ন করতে হবে। গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ এরই মধ্যে সঞ্চালন লাইন তৈরির কাজ শেষ করেছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

রূপপুরে শুরু হচ্ছে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং: জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ আসার চূড়ান্ত ধাপ

আপডেট সময় : ১০:৪৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনে যাওয়ার পথ আরও সুগম হয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে ‘ফুয়েল লোডিং’ বা পারমাণবিক জ্বালানি স্থাপনের জন্য কমিশনিং লাইসেন্স প্রদান করেছে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। এর মাধ্যমে প্রকল্পটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রবেশ করল বলে মনে করা হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই এই কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের শেষের দিকে প্রথম ইউনিটের ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন হতে পারে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, বছরের শেষ নাগাদ গ্রিডে এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি লোডিংয়ের পর কারিগরি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় লাগতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগে গ্রিডের সক্ষমতা এবং সঞ্চালন লাইনের কাজও পুরোপুরি সম্পন্ন করতে হবে। গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ এরই মধ্যে সঞ্চালন লাইন তৈরির কাজ শেষ করেছে বলে জানা গেছে।