ঢাকা ১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে: নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তান ও মিসরের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত ৯ এপ্রিল কার্যকর হওয়া ১৫ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে চলেছে। তবে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো বা নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই পক্ষ ব্যর্থ হওয়ায় ফের বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক কর্মসূচি, ইউরেনিয়াম হস্তান্তর ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে, তা নিরসনে কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি।

ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্তগুলো তাদের পক্ষে মেনে নেওয়া অসম্ভব। অন্যদিকে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এবং ইরানের নৌবন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকায় চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে ১২টিরও বেশি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের উপকূলে অবস্থান করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় অনিশ্চয়তা: একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে: নতুন সংঘাতের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ১০:৪৩:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তান ও মিসরের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত ৯ এপ্রিল কার্যকর হওয়া ১৫ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হতে চলেছে। তবে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো বা নতুন কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে দুই পক্ষ ব্যর্থ হওয়ায় ফের বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পারমাণবিক কর্মসূচি, ইউরেনিয়াম হস্তান্তর ও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যে মৌলিক মতপার্থক্য রয়েছে, তা নিরসনে কোনো কার্যকর অগ্রগতি হয়নি।

ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্তগুলো তাদের পক্ষে মেনে নেওয়া অসম্ভব। অন্যদিকে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা এবং ইরানের নৌবন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত থাকায় চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বর্তমানে ১২টিরও বেশি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ইরানের উপকূলে অবস্থান করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।