ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে বিধ্বস্ত নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ জয়ী

বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে একাই ধস নামিয়েছেন কিউই ব্যাটিং অর্ডারে। তার গতির ঝড় এবং নিখুঁত বোলিংয়ে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারী দলটি। এই জয়ে বাংলাদেশ সিরিজে সমতা ফেরানোর পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

গতকাল এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী, উইকেটে খানিকটা ঘাস রাখা হয়েছিল, যা কাজে লাগাতে ভুল করেননি নাহিদ। তিনি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার তুলে নেন। তার বোলিং ফিগার ছিল ১০ ওভারে ১টি মেডেন সহ ৩২ রান খরচায় ৫ উইকেট। ইনিংসের সপ্তম ওভারে বল হাতে এসে তিনি ১৪৪.৭ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে হেনরি নিকোলসকে এলবিডব্লিউ করেন। এরপর তিনি উইল ইয়ংকে ১৪৬.৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতির বাউন্সার দিয়ে পরাস্ত করেন, যিনি ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। প্রথম স্পেলে নাহিদ মাত্র ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন।

দ্বিতীয় স্পেলে নাহিদ আরও দুটি উইকেট নেন। যদিও এই স্পেলে তিনি কোনো উইকেট পাননি, তবে তার গতির দাপট কিউই ব্যাটসম্যানদের অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। শেষ স্পেলে তিনি ডিন ফক্সক্রফটকে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ আউট করিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট লাভ করেন। ৯ ওভার শেষে তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৯ ওভারে ১ মেডেন সহ ৩১ রান দিয়ে ৪ উইকেট। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫ উইকেট শিকার করে দলকে বড় স্বস্তি এনে দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধ পাটকল সচল করতে বদ্ধপরিকর সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

নাহিদ রানার বিধ্বংসী বোলিংয়ে বিধ্বস্ত নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ জয়ী

আপডেট সময় : ০২:৩০:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে একাই ধস নামিয়েছেন কিউই ব্যাটিং অর্ডারে। তার গতির ঝড় এবং নিখুঁত বোলিংয়ে মাত্র ১৯৮ রানে গুটিয়ে গেছে সফরকারী দলটি। এই জয়ে বাংলাদেশ সিরিজে সমতা ফেরানোর পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে।

গতকাল এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের চাহিদা অনুযায়ী, উইকেটে খানিকটা ঘাস রাখা হয়েছিল, যা কাজে লাগাতে ভুল করেননি নাহিদ। তিনি তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার তুলে নেন। তার বোলিং ফিগার ছিল ১০ ওভারে ১টি মেডেন সহ ৩২ রান খরচায় ৫ উইকেট। ইনিংসের সপ্তম ওভারে বল হাতে এসে তিনি ১৪৪.৭ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিতে হেনরি নিকোলসকে এলবিডব্লিউ করেন। এরপর তিনি উইল ইয়ংকে ১৪৬.৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতির বাউন্সার দিয়ে পরাস্ত করেন, যিনি ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। প্রথম স্পেলে নাহিদ মাত্র ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন।

দ্বিতীয় স্পেলে নাহিদ আরও দুটি উইকেট নেন। যদিও এই স্পেলে তিনি কোনো উইকেট পাননি, তবে তার গতির দাপট কিউই ব্যাটসম্যানদের অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। শেষ স্পেলে তিনি ডিন ফক্সক্রফটকে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ আউট করিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট লাভ করেন। ৯ ওভার শেষে তার বোলিং ফিগার দাঁড়ায় ৯ ওভারে ১ মেডেন সহ ৩১ রান দিয়ে ৪ উইকেট। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫ উইকেট শিকার করে দলকে বড় স্বস্তি এনে দেন।