ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা: নৌচলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় জাতিসংঘের আহ্বান

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হরমুজ প্রণালিতে চলমান বিধিনিষেধ এবং সামুদ্রিক উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক জানিয়েছেন, কৌশলগত এই জলপথের পরিস্থিতি নিয়ে গত ৪৮ ঘণ্টায় ‘অনেক কার্যক্রম ও বিভ্রান্তি’ দেখা গেছে।

মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের স্বাধীনতা ও অধিকার সকল পক্ষকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে। তিনি সাম্প্রতিক সামুদ্রিক ঘটনাগুলোর ওপরও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জাতিসংঘ তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, কোনো সামরিক উদ্দেশ্যই বেসামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ধ্বংস বা বেসামরিক জনগণের ওপর ইচ্ছাকৃত কষ্ট চাপিয়ে দেওয়ার যৌক্তিকতা দিতে পারে না।

মুখপাত্র আরও জানান, এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিমধ্যেই প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। বিশ্বের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ সার সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার ফলে ইউরিয়া ও সারের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে তেলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই পরিস্থিতি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার পরিকল্পনা ও কেনাকাটার সক্ষমতার ওপরও প্রভাব ফেলছে, যা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও জটিল করে তুলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র জুলাই যোদ্ধাদের কাছে ঋণী: হুইপ নিজানের মন্তব্য

হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা: নৌচলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় জাতিসংঘের আহ্বান

আপডেট সময় : ০২:২০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস হরমুজ প্রণালিতে চলমান বিধিনিষেধ এবং সামুদ্রিক উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক জানিয়েছেন, কৌশলগত এই জলপথের পরিস্থিতি নিয়ে গত ৪৮ ঘণ্টায় ‘অনেক কার্যক্রম ও বিভ্রান্তি’ দেখা গেছে।

মুখপাত্র জোর দিয়ে বলেছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের স্বাধীনতা ও অধিকার সকল পক্ষকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে। তিনি সাম্প্রতিক সামুদ্রিক ঘটনাগুলোর ওপরও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

জাতিসংঘ তাদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, কোনো সামরিক উদ্দেশ্যই বেসামরিক অবকাঠামোর ব্যাপক ধ্বংস বা বেসামরিক জনগণের ওপর ইচ্ছাকৃত কষ্ট চাপিয়ে দেওয়ার যৌক্তিকতা দিতে পারে না।

মুখপাত্র আরও জানান, এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ইতিমধ্যেই প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। বিশ্বের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ সার সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যার ফলে ইউরিয়া ও সারের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে তেলের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই পরিস্থিতি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার পরিকল্পনা ও কেনাকাটার সক্ষমতার ওপরও প্রভাব ফেলছে, যা মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও জটিল করে তুলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।