ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মুক্তবাংলা’: স্বাধীনতার অবিনাশী প্রতীক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ভাস্কর্য ‘মুক্তবাংলা’। ১৯৯৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে উদ্বোধন করা এই ভাস্কর্যটি কেবল ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বর্ধন করছে না, বরং এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় চেতনার এক অনন্য স্মারক। তৎকালীন উপাচার্য মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক এটি উন্মোচন করেন, যা আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান পরিচায়ক হয়ে উঠেছে।

স্থপতি রশিদ আহমেদের নকশায় নির্মিত এই ভাস্কর্যটিতে সিরামিক ইট, সাদা-কালো পাথর এবং মোজাইক টাইলসের সুনিপুণ ব্যবহার ফুটে উঠেছে। এর সাতটি স্তম্ভ ১৯৭১ সালের অস্থায়ী সরকারের সাত সদস্যের মন্ত্রিসভার প্রতিচ্ছবি হিসেবে গণ্য করা হয়। এছাড়া লাল, সাদা, কালো ও সবুজ রঙের ব্যবহার যুদ্ধ, শোক, পুনর্গঠন এবং শান্তির বার্তা বহন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এটি কেবল একটি ভাস্কর্য নয়, বরং জাতীয় দিবসগুলোতে শ্রদ্ধা নিবেদনের এক মিলনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্ধ পাটকল সচল করতে বদ্ধপরিকর সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মুক্তবাংলা’: স্বাধীনতার অবিনাশী প্রতীক

আপডেট সময় : ০২:১১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে ভাস্কর্য ‘মুক্তবাংলা’। ১৯৯৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে উদ্বোধন করা এই ভাস্কর্যটি কেবল ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বর্ধন করছে না, বরং এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় চেতনার এক অনন্য স্মারক। তৎকালীন উপাচার্য মুহাম্মাদ ইনাম-উল হক এটি উন্মোচন করেন, যা আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান পরিচায়ক হয়ে উঠেছে।

স্থপতি রশিদ আহমেদের নকশায় নির্মিত এই ভাস্কর্যটিতে সিরামিক ইট, সাদা-কালো পাথর এবং মোজাইক টাইলসের সুনিপুণ ব্যবহার ফুটে উঠেছে। এর সাতটি স্তম্ভ ১৯৭১ সালের অস্থায়ী সরকারের সাত সদস্যের মন্ত্রিসভার প্রতিচ্ছবি হিসেবে গণ্য করা হয়। এছাড়া লাল, সাদা, কালো ও সবুজ রঙের ব্যবহার যুদ্ধ, শোক, পুনর্গঠন এবং শান্তির বার্তা বহন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এটি কেবল একটি ভাস্কর্য নয়, বরং জাতীয় দিবসগুলোতে শ্রদ্ধা নিবেদনের এক মিলনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।