ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি মজুত বৃদ্ধিতে স্বস্তি: চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হচ্ছে ৬৮ হাজার টন ডিজেল

দেশের জ্বালানি তেলের মজুত আরও শক্তিশালী করতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে বড় দুটি ডিজেলবাহী জাহাজ। সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জাহাজ দুটি থেকে ইতিমধ্যে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া বহির্নোঙরে আরও তিনটি জাহাজ তেল নিয়ে অপেক্ষমান রয়েছে।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার সকালের মধ্যে ‘এমটি ওকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ নামের দুটি জাহাজ ইস্টার্ন রিফাইনারি সংলগ্ন ডলফিন জেটিতে নোঙর করে। জাহাজ দুটিতে যথাক্রমে ৩৫ হাজার এবং ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে। এছাড়া বহির্নোঙরে অবস্থানরত অন্য তিনটি জাহাজে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও অকটেন রয়েছে, যা জেটি খালি হওয়া সাপেক্ষে খালাস করা হবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে সব ধরনের লজিস্টিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিপিসি আশা করছে, নতুন এই আমদানির ফলে দেশের বাজারে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে এবং চলমান চাহিদা পূরণে কোনো সংকট সৃষ্টি হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজের মাসে ওমরাহ পালনের বিধান ও বিশেষ গুরুত্ব

জ্বালানি মজুত বৃদ্ধিতে স্বস্তি: চট্টগ্রাম বন্দরে খালাস হচ্ছে ৬৮ হাজার টন ডিজেল

আপডেট সময় : ০৭:৫২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

দেশের জ্বালানি তেলের মজুত আরও শক্তিশালী করতে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে বড় দুটি ডিজেলবাহী জাহাজ। সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জাহাজ দুটি থেকে ইতিমধ্যে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া বহির্নোঙরে আরও তিনটি জাহাজ তেল নিয়ে অপেক্ষমান রয়েছে।

বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাত থেকে সোমবার সকালের মধ্যে ‘এমটি ওকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ নামের দুটি জাহাজ ইস্টার্ন রিফাইনারি সংলগ্ন ডলফিন জেটিতে নোঙর করে। জাহাজ দুটিতে যথাক্রমে ৩৫ হাজার এবং ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে। এছাড়া বহির্নোঙরে অবস্থানরত অন্য তিনটি জাহাজে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও অকটেন রয়েছে, যা জেটি খালি হওয়া সাপেক্ষে খালাস করা হবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের দ্রুত খালাস নিশ্চিত করতে সব ধরনের লজিস্টিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিপিসি আশা করছে, নতুন এই আমদানির ফলে দেশের বাজারে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে এবং চলমান চাহিদা পূরণে কোনো সংকট সৃষ্টি হবে না।