ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আত্মসমর্পণের পর বন কর্মকর্তা কারাগারে

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সুলতানুল আলম চৌধুরী (৫৭) নামে বন বিভাগের এক রেঞ্জ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১২ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

সুলতানুল আলম বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডীর মধ্যম কড়লডেঙ্গা এলাকার মৃত আজহারুল হক চৌধুরীর ছেলে। তিনি বর্তমানে ফেনী জেলার দাগনভূঞায় রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করে ভোগদখলের অভিযোগে দুদকের মামলায় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর না করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

এর আগে আসামি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে সুলতানুল আলম চৌধুরী ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৪৮ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেন। এ ছাড়া তিনি ৫১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩৪ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন।

২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২-এর সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১২ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলি হামলায় ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে ৪০ ছাত্রী নিহত: শোকের ছায়া

আত্মসমর্পণের পর বন কর্মকর্তা কারাগারে

আপডেট সময় : ০৪:২৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সুলতানুল আলম চৌধুরী (৫৭) নামে বন বিভাগের এক রেঞ্জ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১২ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

সুলতানুল আলম বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডীর মধ্যম কড়লডেঙ্গা এলাকার মৃত আজহারুল হক চৌধুরীর ছেলে। তিনি বর্তমানে ফেনী জেলার দাগনভূঞায় রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করে ভোগদখলের অভিযোগে দুদকের মামলায় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর না করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

এর আগে আসামি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে সুলতানুল আলম চৌধুরী ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৪৮ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেন। এ ছাড়া তিনি ৫১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩৪ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন।

২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২-এর সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১২ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।